ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo কুকুর মারতে বাধা দেওয়ায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ Logo বরুড়ায় টিম ফর ফিউসার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo সাজেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য নির্দেশনা Logo বালিয়াডাঙ্গীতে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় চিকিৎসা সেবা’সহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ Logo বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা Logo পলাশবাড়িতে নয় বছরের শিশু সন্তানকে অপহরণের অভিযোগ Logo গাজীপুরে ট্রেনে আগুন, বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ (ভিডিও) Logo আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন

সিলেট কোতোয়ালী থানার সাবেক ওসি গ্রেফতার

সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের জনপ্রিয় স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা জালালাবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এ.টি.এম তুরাব হত্যা মামলা অন্যতম আসামী সিলেট কোতোয়ালী থানার সাবেক ওসি কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম তুরাব হত্যা মামলার ৬ নং আসামি সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে বিজিবি’র টাস্কফোর্স।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের গোপীনাথপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ. কে.এম. ফয়সাল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঈন উদ্দিন গোপীনাথপুর (মাস্টারবাড়ি) গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, গোপন সূত্রে ৫৫ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মো. ইয়ার হোসেন জানতে পারেন- গোপীনাথপুররস্থ (মাস্টারবাড়ি) মঈন উদ্দিনের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিজিবি’র টাস্কফোর্স সোমবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালায়। এসময় কোনো অস্ত্র পাওয়া না গেলেও ওসি মঈন উদ্দিনকে পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন- ৫ আগস্টের পর সিলেট কোতোয়ালি থানা থেকে মঈনকে ওএসডি করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করে রাখা হয়। তবে তিনি বাড়িতে কী করছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ঘটনার এক মাস পর নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। এজাহারে আসামি হিসেবে পুলিশসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত

SBN

SBN

সিলেট কোতোয়ালী থানার সাবেক ওসি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের জনপ্রিয় স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা জালালাবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এ.টি.এম তুরাব হত্যা মামলা অন্যতম আসামী সিলেট কোতোয়ালী থানার সাবেক ওসি কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম তুরাব হত্যা মামলার ৬ নং আসামি সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে বিজিবি’র টাস্কফোর্স।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের গোপীনাথপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ. কে.এম. ফয়সাল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঈন উদ্দিন গোপীনাথপুর (মাস্টারবাড়ি) গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, গোপন সূত্রে ৫৫ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মো. ইয়ার হোসেন জানতে পারেন- গোপীনাথপুররস্থ (মাস্টারবাড়ি) মঈন উদ্দিনের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিজিবি’র টাস্কফোর্স সোমবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালায়। এসময় কোনো অস্ত্র পাওয়া না গেলেও ওসি মঈন উদ্দিনকে পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন- ৫ আগস্টের পর সিলেট কোতোয়ালি থানা থেকে মঈনকে ওএসডি করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করে রাখা হয়। তবে তিনি বাড়িতে কী করছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ঘটনার এক মাস পর নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। এজাহারে আসামি হিসেবে পুলিশসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে।