টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০ টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যরা মাঠে নেমে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়মিত মামলা, মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা এবং পরোয়ানামূলে এই ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানকালে পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ তল্লাশিতে ২৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক সন্ত্রাস চুরি ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয় জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যরা মাঠে নেমে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা, নিয়মিত মামলা, মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা এবং পরোয়ানামূলে গ্রেফতার করা হয়।অভিযানকালে পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ তল্লাশিতে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সেবা নিন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করলে অপরাধ দমন আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার
স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।
টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।
শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রে ডাকাতের কবলে পড়া ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার
টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৪
টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার
টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল
গাজীপুর
ঝালকাঠিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
কুমিল্লার নিমসার মোকাম বড় বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট তৈরির উদ্যোগ
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০
শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ
টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার
টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা
চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
বাঘাছড়িতে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা'র ৮ম বার্ষিক সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ সহ ৬ জন আটক
চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়
মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।