ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০ টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যরা মাঠে নেমে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়মিত মামলা, মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা এবং পরোয়ানামূলে এই ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানকালে পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ তল্লাশিতে ২৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক সন্ত্রাস চুরি ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয় জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যরা মাঠে নেমে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা, নিয়মিত মামলা, মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা এবং পরোয়ানামূলে গ্রেফতার করা হয়।অভিযানকালে পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ তল্লাশিতে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সেবা নিন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করলে অপরাধ দমন আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রে ডাকাতের কবলে পড়া ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার

মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রে ডাকাতের কবলে পড়া ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৪

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৪

টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

গাজীপুর

গাজীপুর

ঝালকাঠিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ঝালকাঠিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

কুমিল্লার  নিমসার  মোকাম বড় বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট তৈরির উদ্যোগ

কুমিল্লার নিমসার মোকাম বড় বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট তৈরির উদ্যোগ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন,পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে  ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা

ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা

চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চৌদ্দগ্রামে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বাঘাছড়িতে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা'র ৮ম বার্ষিক সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বাঘাছড়িতে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা'র ৮ম বার্ষিক সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ সহ ৬ জন আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ সহ ৬ জন আটক

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

সব বিভাগের খবর

ভোলায় অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও জালসহ ২০ জন জেলে আটক

প্রেস রিলিজ ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও জালসহ ২০ জন জেলে আটক। বৃহস্পতিবার ০১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট চরমানিকা কর্তৃক ভোলার দুলারহাট থানাধীন আহম্মদপুরের মায়া ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে ২টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ টি অবৈধ বেহুন্দী জালসহ ২০ জন জেলেকে আটক করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত বোটের ট্রলিং গিয়ার অপসারণ করনো হয়। জব্দকৃত বোট ও জাল এবং আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

ঝালকাঠিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মোঃ জাহিদ, ঝালকাঠি ঝালকাঠির জেলার রাজাপুরে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাড়িতে এসে আত্নহত্যা করেছে। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন এর ভাতকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে সালমান ফারসি দীর্ঘদিন মানসিক রোগে অসুস্থ ছিল। গত এক মাস মোটামুটি সুস্থ হয়। সালমান ফারসি আজ স্কুল থেকে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণ করে নিজ বাড়িতে এসে মায়ের সাথে কথা বলে বসত ঘরের পাশে কাঠের টয়লেটে প্রবেশ করে। বেশ কিছু সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও সালমান ফারসি বের না হলে তার মা একাধিকবার ডাক চিৎকার দেওয়ার পরে কোন উত্তর না পেয়ে টয়লেটের দরজা ভেঙে ফেলে। তার সন্তানকে চিকন সাদা রংয়ের নাইলনের রশিতে ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশে উপস্থিত প্রতিবেশীরা ছুটে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ০১:৩৫ ঘটিকার সময়ে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সালমানকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিল সালমান ফারসি। ঘটনার কথা শুনে রাজাপুর থানা পুলিশ দ্রুত রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঝালকাঠিতে বস্তায় আদা চাষে কৃষকের সাফল্য

শেখ জাহিদ, ঝালকাঠি ঝালকাঠি সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের বারৈয়ারা গ্রামে বস্তায় আদা চাষে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় সোমবার আদা কর্তন করা হয়। কর্তনকালে দেখা গেছে, প্রতিটি বস্তায় গড়ে ৯০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত আদা উৎপাদন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই ফলন চাষের দিক থেকে অত্যন্ত সন্তোষজনক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদ বলেন, “ঝালকাঠি সদর উপজেলায় এ বছর প্রায় ১০০ জন কৃষক বস্তায় আদা চাষ করেছেন। পতিত ছায়াযুক্ত জায়গায় কম খরচে অধিক লাভ পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই পদ্ধতি বসতবাড়ির ছায়াযুক্ত জায়গার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।” কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, “অল্প জায়গায় বস্তায় আদা চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছি। এতে খরচ কম, লাভ বেশি—আগামী মৌসুমেও এই চাষ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।” উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইয়েদ মোর্শেদ জানান, “কৃষকদের আধুনিক ও লাভজনক চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে আমরা নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে আরও বেশি কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।” কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি জনপ্রিয় হলে বসতবাড়ির ছায়াযুক্ত পতিত জমিটুকু মসলা জাতীয় ফসল চাষাবাদের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং জাতীয় পর্যায়ে মসলা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। পাশাপাশি এটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতেও বিশেষ অবদান রাখবে। বারি-২ আদা চাষে এই পদ্ধতি কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

গলাচিপায় নদীতে নিখোঁজ দুই জেলের মৃতদেহ উদ্ধার

প্রেস রিলিজ পটুয়াখালীর গলাচিপা নদীতে নিখোঁজ ২ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বুধবার পটুয়াখালীর গলাচিপা নদী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরতে যাওয়া ১টি ফিশিং বোট প্রবল স্রোতে পানিতে ডুবে গিয়ে ২ জন জেলে নিখোঁজ হয়। বিষয়টি কোস্ট গার্ড অবগত হলে কোস্ট গার্ডের দুইটি স্টেশন, রাঙ্গাবালী ও চরমানিকা অতিদ্রুত উচ্চগতি সম্পন্ন বোটের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযান শেষে আজ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ শুক্রবার দুপুর ২টায় কোস্ট গার্ডের উদ্ধারকারী দল ২টি মৃতদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মৃত শামীম জমাদ্দার (৩৩) ও তাঁর ছেলে মোঃ শিহাব হোসেন (১১) রাঙ্গাবালী থানার বাসিন্দা বলে জানা যায়। তিনি আরও বলেন, মৃতদেহ ২টি পরিবারের নিকট হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ভান্ডারিয়া শাখায় কম্বল বিতরণ

শাহীন সিকদার আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ভান্ডারিয়া শাখার সৌজন্যে দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে প্রায় চার শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আব্দুদ দাইয়ান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভান্ডারীয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভান্ডারীয়া পৌরসভার প্রশাসক রেহানা আক্তার। শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আব্দুদ দাইয়ান বলেন, ১৯৯৫ সাল থেকে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে ও ভূমিকা পালন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে দরিদ্রদের মাঝে আজকের এই কম্বল বিতরণ প্রোগ্রাম। পরিশেষে উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা এবং ব্যাংকের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সকলের কাছে দোয়াও সহোযোগিত কামনা করে সভাপতি বক্তব্য শেষ করেন।

লালমোহনে অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোটসহ এক জেলে আটক

প্রেস রিলিজ ভোলার লালমোহনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোটসহ ১ জেলে আটক। মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন লালমোহন কর্তৃক ভোলার লালমোহন থানাধীন চর উমেদ পাংগাশিয়া সুলিজ ঘাট এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে ১টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত ট্রলিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে ৯০ হাজার টাকা মূলের ৩ টি ট্রলিং জালসহ ১ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত আর্টিসানাল ট্রলিং বোট থেকে ট্রলিং সরঞ্জামাদি অপসারণ করা হয় এবং জব্দকৃত ট্রলিং জাল ও আটককৃত জেলের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

ভোলায় অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও জালসহ ২০ জন জেলে আটক

প্রেস রিলিজ ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও জালসহ ২০ জন জেলে আটক। বৃহস্পতিবার ০১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট চরমানিকা কর্তৃক ভোলার দুলারহাট থানাধীন আহম্মদপুরের মায়া ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে ২টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ টি অবৈধ বেহুন্দী জালসহ ২০ জন জেলেকে আটক করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত বোটের ট্রলিং গিয়ার অপসারণ করনো হয়। জব্দকৃত বোট ও জাল এবং আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

ঝালকাঠিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মোঃ জাহিদ, ঝালকাঠি ঝালকাঠির জেলার রাজাপুরে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাড়িতে এসে আত্নহত্যা করেছে। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন এর ভাতকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে সালমান ফারসি দীর্ঘদিন মানসিক রোগে অসুস্থ ছিল। গত এক মাস মোটামুটি সুস্থ হয়। সালমান ফারসি আজ স্কুল থেকে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণ করে নিজ বাড়িতে এসে মায়ের সাথে কথা বলে বসত ঘরের পাশে কাঠের টয়লেটে প্রবেশ করে। বেশ কিছু সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও সালমান ফারসি বের না হলে তার মা একাধিকবার ডাক চিৎকার দেওয়ার পরে কোন উত্তর না পেয়ে টয়লেটের দরজা ভেঙে ফেলে। তার সন্তানকে চিকন সাদা রংয়ের নাইলনের রশিতে ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশে উপস্থিত প্রতিবেশীরা ছুটে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ০১:৩৫ ঘটিকার সময়ে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সালমানকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিল সালমান ফারসি। ঘটনার কথা শুনে রাজাপুর থানা পুলিশ দ্রুত রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

খালেদা জিয়া

মু. নজরুল ইসলাম তামিজী ইতিহাস আচমকা তাঁর নাম ধরে ডাকল স্বামীহীন ভোরে দেশ তার কাঁধে উঠল। লাল–সবুজের বাংলায় এক গৃহবধূ— স্বামী–সন্তান সামলাতে সামলাতেই আঁকা হচ্ছিল রাষ্ট্রের মানচিত্র। তিনি হাঁটলেন—পদচিহ্নে নয় হাঁটলেন ক্ষত, অবরোধ আর কানাঘুষার ওপর দিয়ে। সেনানিবাস, কারাগার, ব্যারিকেড— সবই তাঁর পাঠ্যপুস্তক হয়ে উঠল। এক নারীর কণ্ঠে শিখে নিল দেশ “আপস” শব্দটির বিপরীত বানান। রাজপথে তিনি দাঁড়ালেন দেয়াল হয়ে ভাঙা স্লোগানগুলো পেলো মেরুদণ্ড। ক্ষমতা তাঁর কাছে ছিল না মুকুট ছিল দায়িত্বের কাঁটা-ভরা মুকুটের ছায়া। সন্তান হারিয়ে, ঘর হারিয়ে তিনি তবু দেশ হারাননি। একদিন ইতিহাস ক্লান্ত হয়ে তাঁকে বলল—তুমি এখন প্রতীক। প্রতিহিংসাহীন উচ্চারণে তিনি লিখলেন— ভালোবাসা দিয়েই রাষ্ট্র গড়া যায়। ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ভোর ছয়টায় থেমে গেল তাঁর শ্বাস— থামেনি রাজনৈতিক অনুচ্চারিত প্রার্থনা। তিনি আছেন রাষ্ট্রের স্মৃতি-মানচিত্রে যেখানে নারী মানেই প্রতিবাদ।