ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ Logo চাঁদপুরে পুলিশ সুপারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি Logo জামাত সরকার গঠন করলে দেশের মাটিতে আর চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীর ঠাই হবেনা Logo কটিয়াদীতে কাঞ্চন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Logo সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগী আটক Logo বদরখালীতে ১ টি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, জাল ও সামুদ্রিক মাছ জব্দ Logo ঝিনাইদহে ২ শতাধিক চক্ষু রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ Logo দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক ভাবে গ্রহণের সুযোগ সীমিত; তারেক রহমান Logo নতুন যুগে চীনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, নিরস্ত্রীকরণ ও অপ্রসারণ’ শ্বেতপত্র উপস্থাপন

ম্যাকাও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের ষষ্ঠ সরকারের শপথগ্রহণ:সিএমজি সম্পাদকীয়

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০৭:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

বিদেশি মিডিয়া বিশ্বাস করে যে, ম্যাকাওয়ের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং বিশ্বের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সংযোগ ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ সফল অনুশীলনের একটি মডেল। একটি নতুন সূচনায় দাঁড়িয়ে ম্যাকাও বৈশিষ্ট্যের সাথে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ চর্চা উন্নত করা এবং বিশ্বের সাথে ম্যাকাওয়ের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং কথা বলেছেন। ম্যাকাওয়ের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন এবং ম্যাকাও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের ষষ্ঠ সরকারের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে গত ২০ ডিসেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন জনাব সি।

 

এ বিষয়ে সিএমজি সম্পাদকীয়তে বলা হয়, একটি ব্যবস্থা ভালো কিনা তা নির্ভর করে এর ফলাফলের উপর। পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, বর্তমানে ম্যাকাওয়ের আঞ্চলিক জিডিপি প্রত্যাবর্তনের আগের তুলনায় ৭ গুণ বেড়েছে। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত, ম্যাকাওয়ের বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ৬৯ হাজার মার্কিন ডলার হয়েছে। যেমন প্রেসিডেন্ট সি ভাষণে বলেছেন, ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ উল্লেখযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা এবং শক্তিশালী জীবনীশক্তি রয়েছে, তাই দীর্ঘমেয়াদী চর্চা প্রয়োজন।

 

ম্যাকাওয়ের উচ্চ মাত্রার স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নের সময় ‘মধ্যম অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য’ বাস্তবায়ন করতে হবে। ম্যাকাও সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সমাজের ধারণা ছিল যে, এর অর্থনৈতিক কাঠামো তুলনামূলকভাবে সহজ, যেখানে গেমিং শিল্পের অনুপাত বেশি ছিলো। এখন এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে: গেমিং শিল্প ২০২৩ সালে স্থানীয় জিডিপির ৩৭.২ শতাংশ ছিল এবং তা ২০১৯ সালের তুলনায় ১৪ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে, ব্যাপক স্বাস্থ্য, আধুনিক অর্থায়ন, উচ্চ-প্রযুক্তি, প্রদর্শনী ও বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ বৈচিত্র্যময় শিল্পগুলো দ্রুত বিকশিত হয়েছে।

 

এ ছাড়া, বৈদেশিক উন্মুক্তকরণের আরো ভালো ভূমিকা পালন করা ম্যাকাওয়ের জন্য এটি একটি সুযোগও বটে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ম্যাকাও ‘একটি কেন্দ্র, একটি প্লাটফর্ম এবং একটি অবকাঠামো’ নির্মাণকাজ এগিয়ে নিচ্ছে এবং কুয়াংতোং-হংকং-ম্যাকাও বৃহত্তর উপসাগরীয় এলাকা ও ‘এক অঞ্চল, এক পথ উদ্যোগের’ যৌথ নির্মাণে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে।

ভবিষ্যতে মাতৃভূমির সামগ্রিক উন্নয়নের সাথে আরও ভালভাবে একীভূত হওয়া থেকে শুরু করে প্রধান জাতীয় কৌশলগুলোর সাথে সারিবদ্ধ হওয়া পর্যন্ত, দ্বি-মুখী উন্মুক্তকরণ আরও বাড়ানো এবং দেশের উচ্চ-স্তরের উন্মুক্তকরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজহেড তৈরি করা থেকে চীন ও পশ্চিমা সভ্যতার বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা পর্যন্ত একটি আরো উন্মুক্ত ম্যাকাও শুধুমাত্র নিজেকে বিকাশই করবে না, বরং বিশ্বের উপকারও করবে বলে মনে করে সিএমজি সম্পাদকীয়।

সূত্র: লিলি-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

SBN

SBN

ম্যাকাও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের ষষ্ঠ সরকারের শপথগ্রহণ:সিএমজি সম্পাদকীয়

আপডেট সময় ০৭:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বিদেশি মিডিয়া বিশ্বাস করে যে, ম্যাকাওয়ের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং বিশ্বের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সংযোগ ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ সফল অনুশীলনের একটি মডেল। একটি নতুন সূচনায় দাঁড়িয়ে ম্যাকাও বৈশিষ্ট্যের সাথে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ চর্চা উন্নত করা এবং বিশ্বের সাথে ম্যাকাওয়ের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং কথা বলেছেন। ম্যাকাওয়ের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন এবং ম্যাকাও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের ষষ্ঠ সরকারের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে গত ২০ ডিসেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন জনাব সি।

 

এ বিষয়ে সিএমজি সম্পাদকীয়তে বলা হয়, একটি ব্যবস্থা ভালো কিনা তা নির্ভর করে এর ফলাফলের উপর। পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, বর্তমানে ম্যাকাওয়ের আঞ্চলিক জিডিপি প্রত্যাবর্তনের আগের তুলনায় ৭ গুণ বেড়েছে। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত, ম্যাকাওয়ের বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ৬৯ হাজার মার্কিন ডলার হয়েছে। যেমন প্রেসিডেন্ট সি ভাষণে বলেছেন, ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থার’ উল্লেখযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা এবং শক্তিশালী জীবনীশক্তি রয়েছে, তাই দীর্ঘমেয়াদী চর্চা প্রয়োজন।

 

ম্যাকাওয়ের উচ্চ মাত্রার স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নের সময় ‘মধ্যম অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য’ বাস্তবায়ন করতে হবে। ম্যাকাও সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সমাজের ধারণা ছিল যে, এর অর্থনৈতিক কাঠামো তুলনামূলকভাবে সহজ, যেখানে গেমিং শিল্পের অনুপাত বেশি ছিলো। এখন এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে: গেমিং শিল্প ২০২৩ সালে স্থানীয় জিডিপির ৩৭.২ শতাংশ ছিল এবং তা ২০১৯ সালের তুলনায় ১৪ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে, ব্যাপক স্বাস্থ্য, আধুনিক অর্থায়ন, উচ্চ-প্রযুক্তি, প্রদর্শনী ও বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ বৈচিত্র্যময় শিল্পগুলো দ্রুত বিকশিত হয়েছে।

 

এ ছাড়া, বৈদেশিক উন্মুক্তকরণের আরো ভালো ভূমিকা পালন করা ম্যাকাওয়ের জন্য এটি একটি সুযোগও বটে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ম্যাকাও ‘একটি কেন্দ্র, একটি প্লাটফর্ম এবং একটি অবকাঠামো’ নির্মাণকাজ এগিয়ে নিচ্ছে এবং কুয়াংতোং-হংকং-ম্যাকাও বৃহত্তর উপসাগরীয় এলাকা ও ‘এক অঞ্চল, এক পথ উদ্যোগের’ যৌথ নির্মাণে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে।

ভবিষ্যতে মাতৃভূমির সামগ্রিক উন্নয়নের সাথে আরও ভালভাবে একীভূত হওয়া থেকে শুরু করে প্রধান জাতীয় কৌশলগুলোর সাথে সারিবদ্ধ হওয়া পর্যন্ত, দ্বি-মুখী উন্মুক্তকরণ আরও বাড়ানো এবং দেশের উচ্চ-স্তরের উন্মুক্তকরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজহেড তৈরি করা থেকে চীন ও পশ্চিমা সভ্যতার বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা পর্যন্ত একটি আরো উন্মুক্ত ম্যাকাও শুধুমাত্র নিজেকে বিকাশই করবে না, বরং বিশ্বের উপকারও করবে বলে মনে করে সিএমজি সম্পাদকীয়।

সূত্র: লিলি-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।