ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ Logo চাঁদপুরে পুলিশ সুপারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি Logo জামাত সরকার গঠন করলে দেশের মাটিতে আর চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীর ঠাই হবেনা Logo কটিয়াদীতে কাঞ্চন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Logo সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগী আটক Logo বদরখালীতে ১ টি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, জাল ও সামুদ্রিক মাছ জব্দ Logo ঝিনাইদহে ২ শতাধিক চক্ষু রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ Logo দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক ভাবে গ্রহণের সুযোগ সীমিত; তারেক রহমান Logo নতুন যুগে চীনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, নিরস্ত্রীকরণ ও অপ্রসারণ’ শ্বেতপত্র উপস্থাপন

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ২০২৫ সালের নববর্ষ বার্তা

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০৭:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

১লা জানুয়ারি নতুন বছরের প্রথম সূর্যরশ্মি যখন পৃথিবীকে আলোকিত করে, তখন সারা বিশ্বের মানুষ প্রত্যাশায় পূর্ণ হয়। কিন্তু অনিবার্যভাবে অস্বস্তিতে পড়ে। গত বছর, বিশ্বের অনেক জায়গায় দ্বন্দ্ব ও সংঘাত দেখা যায়। ২০২৫ সালে বিশ্ব কি ভালো হয়ে উঠবে? বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশ চীন কীভাবে বিশ্বকে ইতিবাচক শক্তি যোগাবে? এমন নানা বিষয়ে কথা বলেছে সিএমজি সম্পাদকীয়।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ২০২৫ সালের নববর্ষের বার্তার মাধ্যমে, আন্তর্জাতিক সমাজ গত বছর চীনের অসাধারণ উন্নয়নের সাফল্য দেখেছে এবং কোনো বাধাকে ভয় না পাওয়া, তার লক্ষ্যগুলোকে যুক্ত করা এবং কঠোর পরিশ্রমী চীনের আত্মবিশ্বাস ও মনোভাব অনুভব করেছে। এ ধরনের আত্মবিশ্বাস, শীতকালে উষ্ণ সূর্যের মতো পৃথিবীতে উষ্ণতা নিয়ে আসে।

চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা এ আস্থা যোগায়। ২০২৪ সালে, দেশে ও বিদেশে গুরুতর ও জটিল পরিবেশের সামনে চীন একটি ধারাবাহিক ব্যবস্থা চালু করেছে, যা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং উন্নতির দিকে নিয়ে গেছে। দেশের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বাস করে যে, চীন প্রায় ৫% অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করবে। এই ধরনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির মধ্যে নেতৃত্ব দেবে।
চীনের অর্থনীতি জোরালো ‘নতুন’ শক্তি থেকেও আস্থা পায়। গত বছর ‘উচ্চ মানের উন্নয়ন’ এবং ‘নতুন মানের উত্পাদন শক্তি’ চীনের অর্থনীতি পর্যবেক্ষণের প্রধান শব্দ হয়ে উঠেছিল। ‘নতুন শিল্প, নতুন ব্যবসায়িক কাঠামো, এবং নতুন মডেলগুলো আবির্ভূত হচ্ছে। নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহনের বার্ষিক আউটপুট প্রথমবারের মতো এক কোটি ইউনিট অতিক্রম করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সাফল্য এসেছে। এই চমকপ্রদ রিপোর্ট চীনের অর্থনীতির বহিপ্রকাশ। পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন যে, চীনের স্বাধীন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ক্রমাগত উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুণমান উন্নতিতেই সাহায্য করবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও নতুন গতি আসবে।

২০২৫ সালে দেশে ও বিদেশে জটিল ও গুরুতর ঝুঁকি এবং চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও চীন বাতাস ও বৃষ্টিতে ভয় পাবে না, আশায় পূর্ণ থাকবে এবং দৃঢ়ভাবে চীনের বৈশিষ্ট্যময় আধুনিকীকরণ প্রচার করবে, যাতে চীনা জনগণ সুখী জীবনযাপন করতে পারে। উন্নত জীবন এবং অন্যান্য দেশের জন্য আরও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

SBN

SBN

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ২০২৫ সালের নববর্ষ বার্তা

আপডেট সময় ০৭:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

১লা জানুয়ারি নতুন বছরের প্রথম সূর্যরশ্মি যখন পৃথিবীকে আলোকিত করে, তখন সারা বিশ্বের মানুষ প্রত্যাশায় পূর্ণ হয়। কিন্তু অনিবার্যভাবে অস্বস্তিতে পড়ে। গত বছর, বিশ্বের অনেক জায়গায় দ্বন্দ্ব ও সংঘাত দেখা যায়। ২০২৫ সালে বিশ্ব কি ভালো হয়ে উঠবে? বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশ চীন কীভাবে বিশ্বকে ইতিবাচক শক্তি যোগাবে? এমন নানা বিষয়ে কথা বলেছে সিএমজি সম্পাদকীয়।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ২০২৫ সালের নববর্ষের বার্তার মাধ্যমে, আন্তর্জাতিক সমাজ গত বছর চীনের অসাধারণ উন্নয়নের সাফল্য দেখেছে এবং কোনো বাধাকে ভয় না পাওয়া, তার লক্ষ্যগুলোকে যুক্ত করা এবং কঠোর পরিশ্রমী চীনের আত্মবিশ্বাস ও মনোভাব অনুভব করেছে। এ ধরনের আত্মবিশ্বাস, শীতকালে উষ্ণ সূর্যের মতো পৃথিবীতে উষ্ণতা নিয়ে আসে।

চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা এ আস্থা যোগায়। ২০২৪ সালে, দেশে ও বিদেশে গুরুতর ও জটিল পরিবেশের সামনে চীন একটি ধারাবাহিক ব্যবস্থা চালু করেছে, যা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং উন্নতির দিকে নিয়ে গেছে। দেশের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বাস করে যে, চীন প্রায় ৫% অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করবে। এই ধরনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির মধ্যে নেতৃত্ব দেবে।
চীনের অর্থনীতি জোরালো ‘নতুন’ শক্তি থেকেও আস্থা পায়। গত বছর ‘উচ্চ মানের উন্নয়ন’ এবং ‘নতুন মানের উত্পাদন শক্তি’ চীনের অর্থনীতি পর্যবেক্ষণের প্রধান শব্দ হয়ে উঠেছিল। ‘নতুন শিল্প, নতুন ব্যবসায়িক কাঠামো, এবং নতুন মডেলগুলো আবির্ভূত হচ্ছে। নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহনের বার্ষিক আউটপুট প্রথমবারের মতো এক কোটি ইউনিট অতিক্রম করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সাফল্য এসেছে। এই চমকপ্রদ রিপোর্ট চীনের অর্থনীতির বহিপ্রকাশ। পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন যে, চীনের স্বাধীন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ক্রমাগত উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুণমান উন্নতিতেই সাহায্য করবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও নতুন গতি আসবে।

২০২৫ সালে দেশে ও বিদেশে জটিল ও গুরুতর ঝুঁকি এবং চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও চীন বাতাস ও বৃষ্টিতে ভয় পাবে না, আশায় পূর্ণ থাকবে এবং দৃঢ়ভাবে চীনের বৈশিষ্ট্যময় আধুনিকীকরণ প্রচার করবে, যাতে চীনা জনগণ সুখী জীবনযাপন করতে পারে। উন্নত জীবন এবং অন্যান্য দেশের জন্য আরও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।