ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo কুকুর মারতে বাধা দেওয়ায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ Logo বরুড়ায় টিম ফর ফিউসার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo সাজেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য নির্দেশনা Logo বালিয়াডাঙ্গীতে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় চিকিৎসা সেবা’সহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ Logo বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা Logo পলাশবাড়িতে নয় বছরের শিশু সন্তানকে অপহরণের অভিযোগ Logo গাজীপুরে ট্রেনে আগুন, বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ (ভিডিও) Logo আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন

চীন-জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যত দৃঢ় হবে উন্নয়নের ভিত্তি তত দৃঢ় হবে

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০৯:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকেশি ইওয়ায়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জো তাই ইওলের সঙ্গে টোকিওতে ১১তম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেন।

ওয়াং ই বলেন, চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা হলো পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে গভীর ভিত্তির, সুযোগ সবচেয়ে বড়, এমন সহযোগিতা কাঠামোর অন্যতম। ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা শুরু হওয়ার পর থেকে গত ২০ বছরে, ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যা তিনটি দেশের জনগণ এবং তাদের নিজস্ব উন্নয়নের জন্যই উপকৃত হয়নি, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক একীকরণকেও উৎসাহিত করেছে।

তিন পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় নবম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া নেতাদের বৈঠকে চিহ্নিত ‘ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে’ সহযোগিতার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। তথ্য প্রমাণ করেছে যে চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যত বেশি দৃঢ় হবে, ঝুঁকি প্রতিরোধের ক্ষমতা তিন দেশের তত বাড়বে, উন্নয়নের ক্ষমতার ভিত্তি তত দৃঢ় হবে এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব প্রচারে তা বেশি কার্যকর হবে।

তিন দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণে ওয়াং ই চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রথমত, আমাদের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা আরও গভীর করা উচিত, দ্রুত চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া অবাধ বাণিজ্য চুক্তির উপর আলোচনা পুনরায় শুরু করা উচিত এবং দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং নতুন গতি উদ্দীপিত করা। তৃতীয়ত, সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণ করা এবং জনমতের ভিত্তি শক্তিশালী করা। চতুর্থত, সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা, নতুন জ্বালানি, সবুজ উন্নয়ন এবং পরিবেশগত সুরক্ষায় সহযোগিতা আরও গভীর করা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পুলিশ ও সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা জোরদার করা এবং নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করা।
সূত্র :শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত

SBN

SBN

চীন-জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যত দৃঢ় হবে উন্নয়নের ভিত্তি তত দৃঢ় হবে

আপডেট সময় ০৯:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকেশি ইওয়ায়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জো তাই ইওলের সঙ্গে টোকিওতে ১১তম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেন।

ওয়াং ই বলেন, চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা হলো পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে গভীর ভিত্তির, সুযোগ সবচেয়ে বড়, এমন সহযোগিতা কাঠামোর অন্যতম। ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা শুরু হওয়ার পর থেকে গত ২০ বছরে, ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যা তিনটি দেশের জনগণ এবং তাদের নিজস্ব উন্নয়নের জন্যই উপকৃত হয়নি, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক একীকরণকেও উৎসাহিত করেছে।

তিন পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় নবম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া নেতাদের বৈঠকে চিহ্নিত ‘ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে’ সহযোগিতার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। তথ্য প্রমাণ করেছে যে চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যত বেশি দৃঢ় হবে, ঝুঁকি প্রতিরোধের ক্ষমতা তিন দেশের তত বাড়বে, উন্নয়নের ক্ষমতার ভিত্তি তত দৃঢ় হবে এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব প্রচারে তা বেশি কার্যকর হবে।

তিন দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণে ওয়াং ই চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রথমত, আমাদের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা আরও গভীর করা উচিত, দ্রুত চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া অবাধ বাণিজ্য চুক্তির উপর আলোচনা পুনরায় শুরু করা উচিত এবং দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং নতুন গতি উদ্দীপিত করা। তৃতীয়ত, সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণ করা এবং জনমতের ভিত্তি শক্তিশালী করা। চতুর্থত, সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা, নতুন জ্বালানি, সবুজ উন্নয়ন এবং পরিবেশগত সুরক্ষায় সহযোগিতা আরও গভীর করা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পুলিশ ও সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা জোরদার করা এবং নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করা।
সূত্র :শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।