ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বরুড়ায় টিম ফর ফিউসার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo সাজেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য নির্দেশনা Logo বালিয়াডাঙ্গীতে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় চিকিৎসা সেবা’সহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ Logo বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা Logo পলাশবাড়িতে নয় বছরের শিশু সন্তানকে অপহরণের অভিযোগ Logo গাজীপুরে ট্রেনে আগুন, বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ (ভিডিও) Logo আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন Logo কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যসহ নানানরকম অভিযোগ

সৌদিআরবের সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশ বাড়ীতে ঈদ উদযাপন

মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি

সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের কিছু মুসল্লি।

দেশের প্রচলিত নিয়মানুসারে এলাকায় একদিন আগেই ঈদ পালন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

রোবরার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার ছাদে নামাজ আদায় করেন।

ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
সকাল থেকেই জেলার সদর উপজেলার, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়ে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন।

পরে তারা স্থানীয় একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের ছাদে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ ৩০-৪০ জন মুসুল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসুল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

নামাজে আসা তালুকঘোড়াবান্ধা গ্রামের মুসা মিয়া (১৯) একই গ্রামের সোলায়মান (৪৫) বলেন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে আসছি ।

সবাই মিলে ঈদুল ফিতর আদায় করলাম। এভাবেই ১০ বছর ধরে ঈদ করে আসছি।
একই গ্রামের মোস্তফা বলেন, আমাদের গ্রামের ৮-১০ টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছি।
গাইবান্ধা উপজেলার সদর উপজেলার তিনগাছতলা এলাকার শাকিল (৩২) বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমার গ্রামে আমি ও আমার পরিবার মিলে সৌদির সাথে মিল রেখে নামাজ আদায় করি।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনে অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় টিম ফর ফিউসার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

SBN

SBN

সৌদিআরবের সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশ বাড়ীতে ঈদ উদযাপন

আপডেট সময় ০২:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি

সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের কিছু মুসল্লি।

দেশের প্রচলিত নিয়মানুসারে এলাকায় একদিন আগেই ঈদ পালন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

রোবরার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার ছাদে নামাজ আদায় করেন।

ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
সকাল থেকেই জেলার সদর উপজেলার, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়ে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন।

পরে তারা স্থানীয় একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের ছাদে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ ৩০-৪০ জন মুসুল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসুল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

নামাজে আসা তালুকঘোড়াবান্ধা গ্রামের মুসা মিয়া (১৯) একই গ্রামের সোলায়মান (৪৫) বলেন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে আসছি ।

সবাই মিলে ঈদুল ফিতর আদায় করলাম। এভাবেই ১০ বছর ধরে ঈদ করে আসছি।
একই গ্রামের মোস্তফা বলেন, আমাদের গ্রামের ৮-১০ টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছি।
গাইবান্ধা উপজেলার সদর উপজেলার তিনগাছতলা এলাকার শাকিল (৩২) বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমার গ্রামে আমি ও আমার পরিবার মিলে সৌদির সাথে মিল রেখে নামাজ আদায় করি।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনে অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।