ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বুড়িচংয়ে বিদুৎএর তারে জড়িয়ে এক কৃষকের মৃত্যু Logo বুড়িচংয়ে নানার বাড়ি ভেড়াতে এসে পানিতে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo নকলায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় ৩ জনকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন এখন মাদকের আখড়া Logo নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে শেরপুরে মধ্যরাতের লাঠি মিছিল Logo সুবর্ণচরে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটো রিক্সা চালককে হত্যা, আটক ২ Logo খুলনায় র‍্যাবের হাতে চাঁদনী হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo মুরাদনগরে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ভিপি নূরের ওপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে মশাল মিছিল Logo পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

শৈলকূপায় ৬ সুদ কারবারি আটক

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় ছয় সুদ কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ব্ল্যাঙ্ক চেক ও স্টাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারী) শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সুদ কারবারিদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন শৈলকূপার হরিহরা গ্রামের মৃত আব্দুল বিশ্বাসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহিমপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ মোল্লার ছেলে আমজাদ হোসেন মোল্লা, বারইপাড়া গ্রামের মৃত আবুল শেখের রহিম শেখ, শেখপারা গ্রামের শহর আলী শেখের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান, ভাটই বাজারের আব্দুস সালামের পলাশ হোসেন,চাঁদপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে পিয়ার আলী।
জানা গেছে, গত কয়েকবছর ধরে শৈলকূপায় সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরা এক লাখ টাকার বিপরীতে অনেক সময় সুদ হিসাবে সপ্তাহে ৮ থেকে ১০হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এতে করে অনেকে তাদের আসল টাকা তো দূরে থাক সুদের টাকায় পরিশোধ করতে পারে না। পরবর্তীতে তারা কৌশলে আসল আর সুদ একসাথে মিলিয়ে টাকা ধার হিসাবে ষ্ট্যাম্পে লিখে নেয়। কখনো কখনো ব্যাংকের ব্ল্যাঙ্ক চেকও নিয়ে থাকে। ফলে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে কিছু করার থাকে না। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলতে পারে না। তাদের চাপে এক পর্যায়ে বাপদাদার ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় নতুবা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে।
এদিকে শৈলকূপায় সুদ কারবারিদের আটকের ঘটনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা জানিয়েছেন সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকুক।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, হঠাৎ করেই এই জনপদে সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুড়িচংয়ে বিদুৎএর তারে জড়িয়ে এক কৃষকের মৃত্যু

SBN

SBN

শৈলকূপায় ৬ সুদ কারবারি আটক

আপডেট সময় ০৯:১৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় ছয় সুদ কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ব্ল্যাঙ্ক চেক ও স্টাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারী) শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সুদ কারবারিদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন শৈলকূপার হরিহরা গ্রামের মৃত আব্দুল বিশ্বাসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহিমপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ মোল্লার ছেলে আমজাদ হোসেন মোল্লা, বারইপাড়া গ্রামের মৃত আবুল শেখের রহিম শেখ, শেখপারা গ্রামের শহর আলী শেখের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান, ভাটই বাজারের আব্দুস সালামের পলাশ হোসেন,চাঁদপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে পিয়ার আলী।
জানা গেছে, গত কয়েকবছর ধরে শৈলকূপায় সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরা এক লাখ টাকার বিপরীতে অনেক সময় সুদ হিসাবে সপ্তাহে ৮ থেকে ১০হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এতে করে অনেকে তাদের আসল টাকা তো দূরে থাক সুদের টাকায় পরিশোধ করতে পারে না। পরবর্তীতে তারা কৌশলে আসল আর সুদ একসাথে মিলিয়ে টাকা ধার হিসাবে ষ্ট্যাম্পে লিখে নেয়। কখনো কখনো ব্যাংকের ব্ল্যাঙ্ক চেকও নিয়ে থাকে। ফলে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে কিছু করার থাকে না। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলতে পারে না। তাদের চাপে এক পর্যায়ে বাপদাদার ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় নতুবা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে।
এদিকে শৈলকূপায় সুদ কারবারিদের আটকের ঘটনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা জানিয়েছেন সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকুক।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, হঠাৎ করেই এই জনপদে সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।