
শাহিন আলম আশিক
১৯ জুলাই ২০২৫ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সকাল ৯:৪০ মিনিটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জাতীয় সমাবেশের প্রথম পর্ব শুরু হয়।
দুপুর ২ টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাবেশের মূল কার্যক্রম শুরু হয়। ৭ দফা দাবির পক্ষে জনমত গঠনে ও সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালায় জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতে ইসলামীর ৭ দফায় যা রয়েছে :
1. ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ও অন্যান্য সময় সংঘটিত সব গণহত্যার বিচার।
2. রাষ্ট্রের সর্বস্তরে প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্থার।
3. ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র পূর্ণ বাস্তবায়ন।
4. জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন।
5. জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন)পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন।
6. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্হা গ্রহণ।
7. রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
শনিবার সকালেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। উদ্যানের বাইরেও অবস্থান নেন হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসে জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে রাজধানীতে মানুষের বিশাল ঢল নামে। এদিন জামায়াতের ৭ দফা র দাবির পক্ষে হাজারো মানুষ,নানান শ্লোগানে তাদের সম্মতি প্রকাশ করেন।
বক্তব্যের সময় মঞ্চে ঢলে পড়েন জামায়াত আমির
————————-
জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিকাল ৫ টা ২০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। সমাবেশ মঞ্চে বক্তব্য শুরুর কিছু পরেই প্রথমবার ঢলে পড়েন তিনি, দ্রুত নেতাকর্মীরা তাকে সামলে নিলে আবারও উঠে বক্তব্য অব্যাহত রাখেন তিনি। এরপর আবারও দ্বিতীয়বার পড়ে যান জামায়াত আমির।পরে মঞ্চে বসে বক্তব্য রাখেন তিনি। এর আগে তিনি বক্তব্যে বলেন, আগামীর বাংলাদেশে আরেকটা লড়াই হবে। একটা লড়াই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে হয়েছে। আরেকটা লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সেই লড়াইয়েও আমরা জয়লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় সমাবেশ সফল করতে দায়িত্ব পালন করেছেন ২০ হাজারের মতো স্বেচ্ছাসেবক। ভোর থেকে সমাবেশের আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিভিন্ন স্পটে তাদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।