• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
শ্রীবরদীতে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল ৮ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী অনেক আকাংখার কন্যা সন্তানকে কোলে নেয়া হলো না পিতা আতিক মুন্সীর কাজী আনাস, ইসলামিক নাশিদ অঙ্গনে এক উদীয়মান নাম বাঘাইছড়ি মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে গোপালগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নব নির্বাচিত কমিটির শ্রদ্ধা দিঘলিয়ায় ইউপি নির্বাচনে আ.লীগর এক বিদ্রোহী পাঁচ প্রার্থীর জয়লাভ মুরাদনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে চাচীকে জখম করায় ভাতিজা গ্রেফতার মুরাদনগরে চেয়ারম্যানের সহায়তায় হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার উল্লাপাড়ায় এইচটি ইমাম স্মৃতি ফাইনাল নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাথাভাঙ্গা নদীতে নিখোঁজ রানার মরদেহ উদ্ধার
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাইরে ফিট ফাট ভিতরে সদর ঘাট

Muktir Lorai / ১০৮ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রবেশমুখে নির্মাণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক গেট। রং ও টাইলস দিয়ে বেশ পরিপাটি। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে করা হয় ইসিজি। জেনারেটর নষ্ট। এক্সরে হয় না প্রায় এক যুগ, জনবল সংকটে চালু নেই আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন।
এমনই চিত্র ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। এযেন বাইরে ফিটফাট, ভিতরে সদরঘাট।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ৫০ শয্যার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করা হয় না এক্স-রে। দুর্ঘটনায় আহত কোন ব্যক্তিকে নিয়ে আসলে পার্শ্ববর্তী কোন ক্লিনিকে অথবা অন্যত্র রেফার্ড করা হয়। জনবল সংকটে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও তা পড়ে থেকে অকেজো হয়ে গেছে। জেনারেটরও দীর্ঘদিন নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এদিকে, হাসপাতালটিতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের জন্য ১৬টি আইসোলেশন বেড আছে। ২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুদ আছে। যা আক্রান্ত রোগীর তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৯ জন কনসালটেন্টের বিপরীতে আছেন মাত্র ২ জন।
লোডশেডিং ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগী ও স্বজনদের। অন্ধকার ঘোচাতে নিজেরা আলোর ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের ব্যবহারে ক্ষুব্ধ রোগীর স্বজনেরা, হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা যায়, এক্স-রে কক্ষটিতে তালা দেওয়া। আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন ব্যবহার না করায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন নিয়ে একটি স্বাস্থ্য কমিটি আছে। প্রায় প্রতিমাসেই জেনারেটর মেরামত ও তেল বাবদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং মাসিক সভায় সেটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এর
আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এস.এম আহসান জানান, দীর্ঘদিন এক্স-রে বন্ধ আছে। এর আগের মেশিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন অত্যাধুনিক মেশিন এসেছে। করোনার জন্য এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা দেরি হচ্ছে। টেকনিক্যাল টিম এসে এক্স-রে মেশিন স্থাপন করার কথা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, সরকারের পক্ষ থেকে কখনো জেনারেটর বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বিকল্প বিদ্যুতের জন্য আইপিএসের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। রোজার ঈদের দুই দিন আগে ইসিজি করা কার্ডিওগ্রাফার মারা যাওয়ায় বর্তমানে ইসিজি করা বন্ধ আছে। আল্ট্রাসনোগ্রামের মেশিন আছে কিন্তু এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোন সনোলজিস্ট পদ নেই।


এই বিভাগের আরো সংবাদ