ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রাণবন্ত প্রতিফলন

তুহিনা: সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বাংলাদের শিশু আলিফা চীনের চিঠির উত্তর দিয়েছেন। তার লেখাপড়া, স্বপ্ন অনুসরণ করা এবং চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের উত্তরাধিকার হতে উৎসাহিত করেছেন সি চিন পিং।

জবাবি চিঠিতে সি চিন পিং বলেছেন, চীনের অভিজ্ঞতা চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রাণবন্ত প্রতিফলন। চীন ও বাংলাদেশের জনগণ প্রাচীনকাল থেকেই ভালো প্রতিবেশী ও বন্ধু, দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময়ের হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে। ছয় শতাধিক বছর আগে চীনের মিং রাজবংশের নৌ-কমান্ডার চেং হ্য জাহাজে করে দু’বার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন এবং দু’দেশের জনগণের মনে বন্ধুত্বের বীজ বপন করেছিলেন। এত বছর পর চীনা নৌবাহিনীর ‘পিস আর্ক’ ভাসমান হসপিটাল চট্টগ্রামে আলিফা চীনের মা’র নির্বিঘ্নে সন্তান জন্মদানে সাহায্য করে; যা চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় রচনা করেছে।

আলিফা চীন বড় হওয়ার পর চীন- বাংলাদেশের বন্ধুত্বের দূত হতে চায়। ভবিষ্যতে সে চীনেও আসতে চায়, তার জীবন বাঁচানো ‘চীনা মা’র মতো চিকিৎসা শিখতে চায়। এটা জেনে সি চিন পিং খুব খুশি হয়েছেন। তিনি আশা করেন, চীনে কঠোর অধ্যয়ন করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, পরিবার, সমাজ ও নিজের দেশকে প্রতিদান দিতে পারবে। আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উপলক্ষ্যে তিনি চীনের সুস্বাস্থ্য, পারিবারিক সুখ ও শিক্ষাগত অগ্রগতি কামনা করেন।

আলিফা চীন ২০১০ সালে জন্মগ্রহণ করে। তাঁর মা মারাত্মক হৃদরোগ ও প্রসূতি বিষয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হয়ে পড়েছিল। তখন চীনের নৌবাহিনীর হসপিটাল হাজাজ ‘পিস আর্ক’ বাংলাদেশের চট্টগ্রামে সফর করেছিল, সাহায্যের ডাক পেয়ে চীনা ডাক্তার স্থানীয় হাসপাতালে গিয়ে তার জন্য অপারেশনের ব্যবস্থা করে। অবশেষে মা ও মেয়ের বিপদ কেটে যায়, নিরাপদে সন্তান জন্ম দেন তিনি। জীবন বাঁচানোর জন্য কৃতজ্ঞতা হিসেবে মেয়ের বাবা তার নাম রাখে ‘চীন’।
সূত্র: তুহিনা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রাণবন্ত প্রতিফলন

আপডেট সময় ১২:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

তুহিনা: সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বাংলাদের শিশু আলিফা চীনের চিঠির উত্তর দিয়েছেন। তার লেখাপড়া, স্বপ্ন অনুসরণ করা এবং চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের উত্তরাধিকার হতে উৎসাহিত করেছেন সি চিন পিং।

জবাবি চিঠিতে সি চিন পিং বলেছেন, চীনের অভিজ্ঞতা চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রাণবন্ত প্রতিফলন। চীন ও বাংলাদেশের জনগণ প্রাচীনকাল থেকেই ভালো প্রতিবেশী ও বন্ধু, দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময়ের হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে। ছয় শতাধিক বছর আগে চীনের মিং রাজবংশের নৌ-কমান্ডার চেং হ্য জাহাজে করে দু’বার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন এবং দু’দেশের জনগণের মনে বন্ধুত্বের বীজ বপন করেছিলেন। এত বছর পর চীনা নৌবাহিনীর ‘পিস আর্ক’ ভাসমান হসপিটাল চট্টগ্রামে আলিফা চীনের মা’র নির্বিঘ্নে সন্তান জন্মদানে সাহায্য করে; যা চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় রচনা করেছে।

আলিফা চীন বড় হওয়ার পর চীন- বাংলাদেশের বন্ধুত্বের দূত হতে চায়। ভবিষ্যতে সে চীনেও আসতে চায়, তার জীবন বাঁচানো ‘চীনা মা’র মতো চিকিৎসা শিখতে চায়। এটা জেনে সি চিন পিং খুব খুশি হয়েছেন। তিনি আশা করেন, চীনে কঠোর অধ্যয়ন করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, পরিবার, সমাজ ও নিজের দেশকে প্রতিদান দিতে পারবে। আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উপলক্ষ্যে তিনি চীনের সুস্বাস্থ্য, পারিবারিক সুখ ও শিক্ষাগত অগ্রগতি কামনা করেন।

আলিফা চীন ২০১০ সালে জন্মগ্রহণ করে। তাঁর মা মারাত্মক হৃদরোগ ও প্রসূতি বিষয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হয়ে পড়েছিল। তখন চীনের নৌবাহিনীর হসপিটাল হাজাজ ‘পিস আর্ক’ বাংলাদেশের চট্টগ্রামে সফর করেছিল, সাহায্যের ডাক পেয়ে চীনা ডাক্তার স্থানীয় হাসপাতালে গিয়ে তার জন্য অপারেশনের ব্যবস্থা করে। অবশেষে মা ও মেয়ের বিপদ কেটে যায়, নিরাপদে সন্তান জন্ম দেন তিনি। জীবন বাঁচানোর জন্য কৃতজ্ঞতা হিসেবে মেয়ের বাবা তার নাম রাখে ‘চীন’।
সূত্র: তুহিনা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।