ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে জুস পান করে ৬ শিশু হাসপাতালে

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে প্রাণ আমের জুস পান করে ৬ শিশু সহ ৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

সোমবার (৬ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার সময় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৬ শিশু সহ ৮জন রোগী টেকনাফ আই এম ও হাসপাতাল থেকে প্রেরণ করেন।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী সেলিনা বলেন, রবিবার রাতে  হ্নীলার পশ্চিম সিকদার পাড়ায় তাদের বাড়িতে এক আত্মীয় বেড়াতে আসে। সাথে করে নিয়ে আসেন প্রাণ কোম্পানীর প্রাণ আমের জুস। বাড়িতে থাকা ১৮মাস বয়সী থেকে ৯বছর বয়সী শিশুদের গ্লাসে করে পান করতে দেন।
সাথে সেলিনা ও নাছিমাকেও দেন। সেলিনা জুস পান করার পর বুঝতে পারছে তার মাথা জিমাচ্ছে। সে তার বড় বোন আর ভাবীকে বলেন। বোন আর ভাবী তাকে রেস্ট করতে বললে, সে তাৎক্ষনিক পরে যান।

সেলিনা আরো বলেন, আমি মাটিতে পরে গেলে এরপর আর কিছু বলতে পারিনা। জ্ঞ্যান ফিরলে দেখি, আমি হাসপাতালে।
হাসপাতালে আরো আছে আমার বড় বোন ও ভাগনী এবং ভাতিজারা।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ডাঃ আশিকুর রহমান বলেন, রোগীরা বেশি ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন ও আছে। বয়স্ক দুইজনকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা কথা বলছে। দ্রুত সময়ে তারা সুস্থ হয়ে উঠবে। সব রোগীদের পরীক্ষা দিয়েছি, পরীক্ষার রিপোর্ট আসলে বুঝতে পারব, তারা কিসে আক্রান্ত হয়েছে।

বর্তমানে অসুস্থ ৬ শিশুসহ বাকীীরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জুস পান করে হাসপাতালে ভর্তিকৃতরা হলো : রানিয়া, রাফিয়া,নাজমা, রামিন, নাছিমা, সেলিনা,জিসান, শাওন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে জুস পান করে ৬ শিশু হাসপাতালে

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে প্রাণ আমের জুস পান করে ৬ শিশু সহ ৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

সোমবার (৬ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার সময় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৬ শিশু সহ ৮জন রোগী টেকনাফ আই এম ও হাসপাতাল থেকে প্রেরণ করেন।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী সেলিনা বলেন, রবিবার রাতে  হ্নীলার পশ্চিম সিকদার পাড়ায় তাদের বাড়িতে এক আত্মীয় বেড়াতে আসে। সাথে করে নিয়ে আসেন প্রাণ কোম্পানীর প্রাণ আমের জুস। বাড়িতে থাকা ১৮মাস বয়সী থেকে ৯বছর বয়সী শিশুদের গ্লাসে করে পান করতে দেন।
সাথে সেলিনা ও নাছিমাকেও দেন। সেলিনা জুস পান করার পর বুঝতে পারছে তার মাথা জিমাচ্ছে। সে তার বড় বোন আর ভাবীকে বলেন। বোন আর ভাবী তাকে রেস্ট করতে বললে, সে তাৎক্ষনিক পরে যান।

সেলিনা আরো বলেন, আমি মাটিতে পরে গেলে এরপর আর কিছু বলতে পারিনা। জ্ঞ্যান ফিরলে দেখি, আমি হাসপাতালে।
হাসপাতালে আরো আছে আমার বড় বোন ও ভাগনী এবং ভাতিজারা।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ডাঃ আশিকুর রহমান বলেন, রোগীরা বেশি ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন ও আছে। বয়স্ক দুইজনকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা কথা বলছে। দ্রুত সময়ে তারা সুস্থ হয়ে উঠবে। সব রোগীদের পরীক্ষা দিয়েছি, পরীক্ষার রিপোর্ট আসলে বুঝতে পারব, তারা কিসে আক্রান্ত হয়েছে।

বর্তমানে অসুস্থ ৬ শিশুসহ বাকীীরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জুস পান করে হাসপাতালে ভর্তিকৃতরা হলো : রানিয়া, রাফিয়া,নাজমা, রামিন, নাছিমা, সেলিনা,জিসান, শাওন।