ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মানবতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন সাইদুর রহমান সজল

কামাল হোসেন, ঢাকা : প্রিয়াংকা গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান সজল মানবতার এক উজ্জ্বল  নিদর্শন। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিমনা। কিন্তু এর বাহিরেও তার বিশাল এক নাম রয়েছে যেটা হয়তোবা অনেকের কাছেই আজানা।
জানা গেছে, তিনি নিজের অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন স্থানে  নির্মাণ করেছেন অসংখ্য মসজিদ এবং মাদ্রাসা।
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা করাটাই যেন তার ধর্ম। কোন গরীব, দুঃখী ও অসহায় মানুষ তার কাছে এসে কেউ শূন্য হাতে ফিরত যায়নি। প্রতি বছর দুই ঈদেই ঈদ সামগ্রী এবং নগদ অর্থ সকলকে সহযোগিতা করে থাকেন।চলমান সময়ে এরকম মানবতার প্রেমিক খুঁজে পাওয়া সত্যিই দূস্কর ব্যাপার বলে সংশ্লিষ্ট মহলের সকলের মতামত। কাজেই  বলা যেতে পারে তিনি মানবসেবার রোল মডেল।
 নদীভাংগন কবলিত এলাকার মানুষের প্রতি এবং  প্রতিবন্ধীদের বিশেষ সহযোগিতা ও স্বাস্থ্যসেবায় তিনি অবিচল। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা সহ  নানান সেবামুলক কর্মকাণ্ড করে চলেছেন নিয়মিত অক্লান্তভাবে।
এই নিরহংকার সাদা মনের মানুষটি যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকারের শব্দ শুনতে পায় সেখানেই ক্লান্তিহীন ভাবে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
তিনি যেভাবে গরীব দুঃখী অসহায় বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাতে ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্থান পাবে কিনা তা বলা মুশকিল।
তবে নিশ্চই তার নাম হাজারো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হৃদয়ে স্বর্নাক্ষরে লেখা হয়ে থাকবে। তিনি যেন সুস্থ ভাবে আজীবন  অসহায় মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যেতে পারেন সেই প্রত্যাশা ব্যাক্ত করে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন সাইদুর রহমান সজল

আপডেট সময় ০৩:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩
কামাল হোসেন, ঢাকা : প্রিয়াংকা গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান সজল মানবতার এক উজ্জ্বল  নিদর্শন। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিমনা। কিন্তু এর বাহিরেও তার বিশাল এক নাম রয়েছে যেটা হয়তোবা অনেকের কাছেই আজানা।
জানা গেছে, তিনি নিজের অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন স্থানে  নির্মাণ করেছেন অসংখ্য মসজিদ এবং মাদ্রাসা।
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা করাটাই যেন তার ধর্ম। কোন গরীব, দুঃখী ও অসহায় মানুষ তার কাছে এসে কেউ শূন্য হাতে ফিরত যায়নি। প্রতি বছর দুই ঈদেই ঈদ সামগ্রী এবং নগদ অর্থ সকলকে সহযোগিতা করে থাকেন।চলমান সময়ে এরকম মানবতার প্রেমিক খুঁজে পাওয়া সত্যিই দূস্কর ব্যাপার বলে সংশ্লিষ্ট মহলের সকলের মতামত। কাজেই  বলা যেতে পারে তিনি মানবসেবার রোল মডেল।
 নদীভাংগন কবলিত এলাকার মানুষের প্রতি এবং  প্রতিবন্ধীদের বিশেষ সহযোগিতা ও স্বাস্থ্যসেবায় তিনি অবিচল। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা সহ  নানান সেবামুলক কর্মকাণ্ড করে চলেছেন নিয়মিত অক্লান্তভাবে।
এই নিরহংকার সাদা মনের মানুষটি যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকারের শব্দ শুনতে পায় সেখানেই ক্লান্তিহীন ভাবে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
তিনি যেভাবে গরীব দুঃখী অসহায় বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাতে ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্থান পাবে কিনা তা বলা মুশকিল।
তবে নিশ্চই তার নাম হাজারো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হৃদয়ে স্বর্নাক্ষরে লেখা হয়ে থাকবে। তিনি যেন সুস্থ ভাবে আজীবন  অসহায় মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যেতে পারেন সেই প্রত্যাশা ব্যাক্ত করে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।