ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে—রণাঙ্গনে চূড়ান্ত আঘাতের দিন Logo বুড়িচং উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার Logo বিএনপি-জামায়াত নিধন করা ওসি জাবীদ এখন ঝিনাইদহ পিবিআইতে Logo সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ জাহাঙ্গীর আলম, পিতৃহারা হলো তিন বছরের ইরফান Logo রক্তের কালিতে লেখা ১৪ ডিসেম্বর—শোক ও গৌরবের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস Logo হাদির উপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন থেকে ফেরার পথে ২ জনকে কুপিয়ে জখম Logo ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় মুরাদনগরে দোয়া মাহফিল Logo রাণীনগরে ৬০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ Logo কালীগঞ্জে অপহরণের ১৬ ঘন্টা পর এক যুবককে উদ্ধার, তিন অপহরণকারী গ্রেফতার Logo শরীফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার পর সীমান্তে বিজিবির কড়া নিরাপত্তা

সুরক্ষাবাদের বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ২৪ নভেম্বর বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে চীনের অংশগ্রহণের অবস্থা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এবারের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ঐক্য, সমতা এবং স্থায়িত্ব’। প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং সম্মেলনে যোগ দেন এবং বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী লি বলেন, জি-২০’র উন্নয়নের দিকে ফিরে তাকালে, সদস্য রাষ্ট্রগুলো অসুবিধাগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রচারের জন্য একসাথে কাজ করেছে; মূল কথাটি ‘ঐক্য’ শব্দটির মধ্যেই নিহিত। বর্তমানে, বিশ্ব অর্থনীতি আবারও বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, একতরফাবাদ এবং সুরক্ষাবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জি-২০’র উচিত সমাধান অনুসন্ধান করা এবং সকল পক্ষকে ঐক্য ও সহযোগিতার পথে ফিরিয়ে আনা।

প্রধানমন্ত্রী লি জোর দিয়ে বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতি গভীরভাবে সংযুক্ত, এবং কোনও দেশ একা দাঁড়াতে পারে না। উন্মুক্ত সহযোগিতাই পারস্পরিক সুবিধা এবং জয়-জয় ফলাফল অর্জনের একমাত্র উপায়। জি-২০’র উচিত দৃঢ়ভাবে মুক্ত বাণিজ্যকে সমর্থন করা এবং একটি উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতি গড়ে তোলা। পার্থক্যগুলো ঐক্যের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়, অন্যান্য দেশকে দমন করার অজুহাত তো দূরের কথা। সমান পরামর্শের মাধ্যমে বৈধ উদ্বেগগুলো সমাধান করা উচিত। জি-২০’র উচিত বহুপাক্ষিকতা বজায় রাখা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর বৃদ্ধি করা এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ও উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য শৃঙ্খলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়া। চীন সকল পক্ষের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে, নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাতে এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচার এবং যৌথভাবে একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর ভবিষ্যত তৈরিতে বৃহত্তর ভূমিকা পালনের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক।

সূত্র:লিলি-হাশিম-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে—রণাঙ্গনে চূড়ান্ত আঘাতের দিন

SBN

SBN

সুরক্ষাবাদের বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ২৪ নভেম্বর বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে চীনের অংশগ্রহণের অবস্থা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এবারের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ঐক্য, সমতা এবং স্থায়িত্ব’। প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং সম্মেলনে যোগ দেন এবং বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী লি বলেন, জি-২০’র উন্নয়নের দিকে ফিরে তাকালে, সদস্য রাষ্ট্রগুলো অসুবিধাগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রচারের জন্য একসাথে কাজ করেছে; মূল কথাটি ‘ঐক্য’ শব্দটির মধ্যেই নিহিত। বর্তমানে, বিশ্ব অর্থনীতি আবারও বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, একতরফাবাদ এবং সুরক্ষাবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জি-২০’র উচিত সমাধান অনুসন্ধান করা এবং সকল পক্ষকে ঐক্য ও সহযোগিতার পথে ফিরিয়ে আনা।

প্রধানমন্ত্রী লি জোর দিয়ে বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতি গভীরভাবে সংযুক্ত, এবং কোনও দেশ একা দাঁড়াতে পারে না। উন্মুক্ত সহযোগিতাই পারস্পরিক সুবিধা এবং জয়-জয় ফলাফল অর্জনের একমাত্র উপায়। জি-২০’র উচিত দৃঢ়ভাবে মুক্ত বাণিজ্যকে সমর্থন করা এবং একটি উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতি গড়ে তোলা। পার্থক্যগুলো ঐক্যের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়, অন্যান্য দেশকে দমন করার অজুহাত তো দূরের কথা। সমান পরামর্শের মাধ্যমে বৈধ উদ্বেগগুলো সমাধান করা উচিত। জি-২০’র উচিত বহুপাক্ষিকতা বজায় রাখা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর বৃদ্ধি করা এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ও উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য শৃঙ্খলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়া। চীন সকল পক্ষের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে, নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাতে এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচার এবং যৌথভাবে একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর ভবিষ্যত তৈরিতে বৃহত্তর ভূমিকা পালনের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক।

সূত্র:লিলি-হাশিম-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।