ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা : পাঁচ মাস ধরে মেয়েকেই ধর্ষণ করেন সুজন দাস

প্রায় সাত মাস আগে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়ন এর ভাইয়াসূতী গ্রামের পরিমল চন্দ্র দাসের পুত্র সুজন চন্দ্র দাস (৩৮)। এর কয়েকদিন পর অন্তঃসত্ত্বা হয় তার স্ত্রী শিপ্রা রানী। স্ত্রী শিপ্রা অন্তঃসত্ত্বা হতে না হতেই তার কু-নজর পড়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৫ বছরের নিজ মেয়ের দিকে।

হঠাৎ একদিন স্ত্রী বাড়ির বাহিরে গেলে মেয়েকে নিজের শয়ন কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুজন। বিষয়টি গোপন রাখতে মেয়েকে ভয়ভীতি দেখায় সুজন। পরবর্তীতে পাঁচ মাস ধরে নিয়মিত সে তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করছে। একপর্যায়ে বিষয়টি মেয়ে তার মাকে জানায়। সে সময় নিজের ও মেয়ের সম্মানের ভয়ে ঘটনা প্রকাশ না করে সুজনকে বুঝানোর চেষ্টা চালায় তারা দু’জন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে সুজন।

সর্বশেষ গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাত ৩টার দিকে স্ত্রী ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় মেয়েকে পুনরায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুজন। সে সময় মেয়ের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

পরবর্তীতে ২৬ মার্চ (রোববার) মেয়ের মা শিপ্রা রানী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে । অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুজনকে খবর দিয়ে থানায় ডেকে আনে থানা পুলিশ। কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিং মে উভয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যার নং ১৭, তারিখ ২৭/০৩/২৩। আসামী সুজনকে সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ধর্ষিতা আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। অপরদিকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আদালত ভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড করে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা : পাঁচ মাস ধরে মেয়েকেই ধর্ষণ করেন সুজন দাস

আপডেট সময় ১১:০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

প্রায় সাত মাস আগে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়ন এর ভাইয়াসূতী গ্রামের পরিমল চন্দ্র দাসের পুত্র সুজন চন্দ্র দাস (৩৮)। এর কয়েকদিন পর অন্তঃসত্ত্বা হয় তার স্ত্রী শিপ্রা রানী। স্ত্রী শিপ্রা অন্তঃসত্ত্বা হতে না হতেই তার কু-নজর পড়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৫ বছরের নিজ মেয়ের দিকে।

হঠাৎ একদিন স্ত্রী বাড়ির বাহিরে গেলে মেয়েকে নিজের শয়ন কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুজন। বিষয়টি গোপন রাখতে মেয়েকে ভয়ভীতি দেখায় সুজন। পরবর্তীতে পাঁচ মাস ধরে নিয়মিত সে তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করছে। একপর্যায়ে বিষয়টি মেয়ে তার মাকে জানায়। সে সময় নিজের ও মেয়ের সম্মানের ভয়ে ঘটনা প্রকাশ না করে সুজনকে বুঝানোর চেষ্টা চালায় তারা দু’জন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে সুজন।

সর্বশেষ গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাত ৩টার দিকে স্ত্রী ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় মেয়েকে পুনরায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুজন। সে সময় মেয়ের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

পরবর্তীতে ২৬ মার্চ (রোববার) মেয়ের মা শিপ্রা রানী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে । অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুজনকে খবর দিয়ে থানায় ডেকে আনে থানা পুলিশ। কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিং মে উভয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যার নং ১৭, তারিখ ২৭/০৩/২৩। আসামী সুজনকে সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ধর্ষিতা আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। অপরদিকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আদালত ভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড করে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।