ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত Logo মালদ্বীপে যুব নেতা আহমেদ কামালের মৃত্যুতে প্রবাসীদের দোয়া মাহফিল Logo জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত কিশোরগঞ্জ-২ সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান রঞ্জন Logo উত্তরা গ্রীন টি ফ্যাক্টরি পুনরুদ্ধার: সন্ত্রাসীদের হামলার শঙ্কায় সিইও, নিরব ভূমিকায় পুলিশ Logo আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান (ভিডিও) Logo স্বপ্নভঙ্গের প্রতিচ্ছবি: বাংলাদেশ, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা Logo ঢাকার উপকণ্ঠে মুক্তিবাহিনী, আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি শুরু রাজধানী ঘেরাও, হানাদারদের শেষ আশা নিভে যাওয়ার দিন Logo মতলব দক্ষিণে দাঁড়িপাল্লা মার্কার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo লাকসামে বিএনপির মহিলা দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo বৈশ্বিক মন্থরতাকে পেছনে ফেলে স্থির অগ্রযাত্রায় চীনের অর্থনীতি

হত্যা মামলার বাদির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলার বাদির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতনের পরে সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আলীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সাবেক সাংসদ মজিবুল বশর মাইজ ভান্ডারী, জাতীয় পার্টির দুইবারের সাবেক সাংসদ এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সাংসদ ও সরাইল উপজেলা আলীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগমের (শিউলি আজাদ) বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলার বাদী মাওলানা সুলতান উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন পিয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক নারী। তিনি সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের মো. শাহ আলম মিয়ার স্ত্রী।

আর সুলতান উদ্দিন একই ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলায় সুলতান উদ্দিনের দুই ভাইকেও আসামি করা হয়েছে। সুলতান উদ্দিনের দায়ের করা হত্যা মামলায় নানা অসঙ্গতির কথা অকপটে স্বীকার করেন নিহত লিটনের ছোট ভাই মামুন।

মামলার এজহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. শাহ আলম মিয়া নামের এক ব্যক্তি সুলতান উদ্দিনের দায়ের করা হত্যা মামলার ১৩ নম্বর আসামি। গত ৩ সেপ্টেম্বর সুলতান উদ্দিন সরাইল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন।। ওই মামলায় সাবেক চারজন এমপিসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে। মোট আসামি সংখ্যা ৩৬৭ জন।

২০২১ সালের ২৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধিতা করে সরাইল বিশ্বরোড মোড় এলাকায় বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন চলছিল। ওই আন্দেলনে আসামিদের গুলিতে নিহত হন লিটন মিয়া (২৭) নামের এক ব্যক্তি।

আর পিয়ারা বেগমের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, শাহ আলম মিয়া ২০১৩ সালে সৌদিআরব গমন করেন। দেশে ফিরে আসেন ২০২৩ সালের ২২ মে। গত ২ সেপ্টেম্বর আসামিরা পিয়ারা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বলা হয় দাবীকৃত চাঁদা না দিলে শাহ আলমকে হত্যা মামলার আসামি করা হবে। টাকা না দেওয়ায় বাদী সুলতান উদ্দিন শাহ আলমকে ২০২১ সালের ২৮ মার্চের খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি করেন। তবে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর থেকে সুলতান উদ্দিন গা ঢাকা দেন। তাকে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি বলেন, মামলা আমি লিখি নাই। উপজেলা বিএনপি ও যুবলীগের কয়েকজন নেতা সহযোগিতা করেছেন। সব আসামিরে আমি চিনি না। মামলা হওয়ার পর চিনছি। এখন হেফাজতের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যারা নির্দোষ তাদেরকে মুক্ত করা হবে।’

আর সুলতান উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা বেগম ও ছেলে তানবির বলেন, সুলতান একসময় ইসলামি ঐক্যজোট চুন্টা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সম্প্রতি তিনি শিউলী আজাদের রাজনীতি করতেন। মূলত উনাকে বিএনপি ও যুবলীগের কয়েকজন মিলে মামলাটি করিয়েছেন। ২০২১ সালের নিহত লিটন মিয়া ছিলেন উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কাটানিশার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ছিলেন অটোরিকশার চালক।

সুলতান উদ্দিনের ভাষ্যমতে লিটন মিয়ার সঙ্গে তাঁর (সুলতান উদ্দিন) রক্তের বা আত্মীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে লিটন মিয়া ছিলেন হেফাজতের কর্মী। এজন্য তিনি দায়িত্ব নিয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

আসামি শাহ আলম মিয়া বলেন, আমি ২০২৩ সালে দেশে আইছি। অহন ট্যাহা না দেওয়ায় আমার নামে মিথ্যা মামলা দিছে। এর আগেও অনেকে আমার স্ত্রীরে ভয় দেখাইয়া ট্যাহা নিছে। আফনেরা আমার জীবন বাঁচান।’

নিহত লিটনের সহোদর ছোট ভাই মামুন মিয়া (২৫) বলেন, লিটন আমার ভাই। জেলা শহরের পীরবাড়ি এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছে লিটন। আমরা তো তখনই মামলা করতে পারতাম। সুলতান উদ্দিন কে তাকে চিনি না, জানি না। ওঁর হঠাৎ এত দরদ জাগল কেন? তিনি রাতের অন্ধকারে কিছু লোক নিয়ে বাড়িতে এসে আমাকে না জানিয়ে আমার স্ত্রী সোনিয়াকে বুঝিয়ে নিয়ে গেছেন আমার স্বশুড় বিজয়নগরের শাহজাহান মিয়ার কাছে।

তাকে লোভ লালসা দেখিয়ে তাদের সহায়তায় সুলতান উদ্দিন মামলা করেছেন। মামলার কোন আসামীকেই আমি চিনি না। আমাদের ইউনিয়নের বাসিন্দা অভিভাবক জিয়াউল হক মৃধা ও রোকেয়া বেগমকেও নাকি আসামি করেছেন। এরা তো আমার ভাইরে মারেনি। আমি বাদী সুলতানকে খুঁজছি। ওঁর কাছে জানতে চাইব উনি কেন এগিয়ে এসে মামলাটি করলেন? আমার ভাইয়ের জন্য হঠাৎ করে ওঁর এত দরদ উতলে উঠলো কেন?

সরাইল উপজেলা হেফাজতের সভাপতি মাওলানা জহিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম বলেন, আমরা এই মামলা সম্পর্কে কিছুই জানি না। সুলতান উদ্দিন আমাদের দলের কেউ না। হেফাজতের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ মিথ্যা বানোয়াট মামলা করলে আমরা এর দায় নিব না।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘সাবেক চার এমপিসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩শত লোককে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আদালতে চাদাবাজির অভিযোগে মামলা হওয়ার কথা শুনেছি। তবে যথাযথ তদন্ত করেই মামলার বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

SBN

SBN

হত্যা মামলার বাদির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলার বাদির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতনের পরে সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আলীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সাবেক সাংসদ মজিবুল বশর মাইজ ভান্ডারী, জাতীয় পার্টির দুইবারের সাবেক সাংসদ এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সাংসদ ও সরাইল উপজেলা আলীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগমের (শিউলি আজাদ) বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলার বাদী মাওলানা সুলতান উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন পিয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক নারী। তিনি সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের মো. শাহ আলম মিয়ার স্ত্রী।

আর সুলতান উদ্দিন একই ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলায় সুলতান উদ্দিনের দুই ভাইকেও আসামি করা হয়েছে। সুলতান উদ্দিনের দায়ের করা হত্যা মামলায় নানা অসঙ্গতির কথা অকপটে স্বীকার করেন নিহত লিটনের ছোট ভাই মামুন।

মামলার এজহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. শাহ আলম মিয়া নামের এক ব্যক্তি সুলতান উদ্দিনের দায়ের করা হত্যা মামলার ১৩ নম্বর আসামি। গত ৩ সেপ্টেম্বর সুলতান উদ্দিন সরাইল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন।। ওই মামলায় সাবেক চারজন এমপিসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে। মোট আসামি সংখ্যা ৩৬৭ জন।

২০২১ সালের ২৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধিতা করে সরাইল বিশ্বরোড মোড় এলাকায় বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন চলছিল। ওই আন্দেলনে আসামিদের গুলিতে নিহত হন লিটন মিয়া (২৭) নামের এক ব্যক্তি।

আর পিয়ারা বেগমের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, শাহ আলম মিয়া ২০১৩ সালে সৌদিআরব গমন করেন। দেশে ফিরে আসেন ২০২৩ সালের ২২ মে। গত ২ সেপ্টেম্বর আসামিরা পিয়ারা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বলা হয় দাবীকৃত চাঁদা না দিলে শাহ আলমকে হত্যা মামলার আসামি করা হবে। টাকা না দেওয়ায় বাদী সুলতান উদ্দিন শাহ আলমকে ২০২১ সালের ২৮ মার্চের খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি করেন। তবে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর থেকে সুলতান উদ্দিন গা ঢাকা দেন। তাকে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি বলেন, মামলা আমি লিখি নাই। উপজেলা বিএনপি ও যুবলীগের কয়েকজন নেতা সহযোগিতা করেছেন। সব আসামিরে আমি চিনি না। মামলা হওয়ার পর চিনছি। এখন হেফাজতের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যারা নির্দোষ তাদেরকে মুক্ত করা হবে।’

আর সুলতান উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা বেগম ও ছেলে তানবির বলেন, সুলতান একসময় ইসলামি ঐক্যজোট চুন্টা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সম্প্রতি তিনি শিউলী আজাদের রাজনীতি করতেন। মূলত উনাকে বিএনপি ও যুবলীগের কয়েকজন মিলে মামলাটি করিয়েছেন। ২০২১ সালের নিহত লিটন মিয়া ছিলেন উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কাটানিশার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ছিলেন অটোরিকশার চালক।

সুলতান উদ্দিনের ভাষ্যমতে লিটন মিয়ার সঙ্গে তাঁর (সুলতান উদ্দিন) রক্তের বা আত্মীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে লিটন মিয়া ছিলেন হেফাজতের কর্মী। এজন্য তিনি দায়িত্ব নিয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

আসামি শাহ আলম মিয়া বলেন, আমি ২০২৩ সালে দেশে আইছি। অহন ট্যাহা না দেওয়ায় আমার নামে মিথ্যা মামলা দিছে। এর আগেও অনেকে আমার স্ত্রীরে ভয় দেখাইয়া ট্যাহা নিছে। আফনেরা আমার জীবন বাঁচান।’

নিহত লিটনের সহোদর ছোট ভাই মামুন মিয়া (২৫) বলেন, লিটন আমার ভাই। জেলা শহরের পীরবাড়ি এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছে লিটন। আমরা তো তখনই মামলা করতে পারতাম। সুলতান উদ্দিন কে তাকে চিনি না, জানি না। ওঁর হঠাৎ এত দরদ জাগল কেন? তিনি রাতের অন্ধকারে কিছু লোক নিয়ে বাড়িতে এসে আমাকে না জানিয়ে আমার স্ত্রী সোনিয়াকে বুঝিয়ে নিয়ে গেছেন আমার স্বশুড় বিজয়নগরের শাহজাহান মিয়ার কাছে।

তাকে লোভ লালসা দেখিয়ে তাদের সহায়তায় সুলতান উদ্দিন মামলা করেছেন। মামলার কোন আসামীকেই আমি চিনি না। আমাদের ইউনিয়নের বাসিন্দা অভিভাবক জিয়াউল হক মৃধা ও রোকেয়া বেগমকেও নাকি আসামি করেছেন। এরা তো আমার ভাইরে মারেনি। আমি বাদী সুলতানকে খুঁজছি। ওঁর কাছে জানতে চাইব উনি কেন এগিয়ে এসে মামলাটি করলেন? আমার ভাইয়ের জন্য হঠাৎ করে ওঁর এত দরদ উতলে উঠলো কেন?

সরাইল উপজেলা হেফাজতের সভাপতি মাওলানা জহিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম বলেন, আমরা এই মামলা সম্পর্কে কিছুই জানি না। সুলতান উদ্দিন আমাদের দলের কেউ না। হেফাজতের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ মিথ্যা বানোয়াট মামলা করলে আমরা এর দায় নিব না।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘সাবেক চার এমপিসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩শত লোককে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আদালতে চাদাবাজির অভিযোগে মামলা হওয়ার কথা শুনেছি। তবে যথাযথ তদন্ত করেই মামলার বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।