প্রধানমন্ত্রীর বরুড়া আগমন উপলক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের নির্দেশনায় মাঠে নামলেন নেতাকর্মীরা!
বাংলাদেশের ইতিহাসে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার নাম আজ নতুন গৌরবে উজ্জ্বল হতে চলেছে। আগামী ১৬ মে ২০২৬ (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন খেলার মাঠে শুভাগমন করবেন। এই ঐতিহাসিক সফরকে সফল, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় করে তুলতে বরুড়ার মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সরাসরি নির্দেশনায় মাঠে নেমেছেন উপজেলা বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মী থেকে থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাকর্মী পর্যন্ত সবাই। গোটা বরুড়া উপজেলায় এখন বইছে প্রস্তুতি ও উৎসবের এক অভূতপূর্ব জোয়ার।৪৫ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: বরুড়ার ইতিহাসে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতার সফরের নজির থাকলে ও ক্ষমতায় এসে মাত্র দু মাসের মাথায় ক্ষমতাসীন দলের প্রধানমন্ত্রী আসার কোন নজির নেই । ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান প্রথমবারের মতো বরুড়ার মাটিতে পদার্পণ করেছিলেন। সেই অবিস্মরণীয় সফরের পর দীর্ঘ বিরতিতে তারই সন্তান তারেক রহমান আসবেন এ অপেক্ষায় বরুড়া বসী ছিলেন এমন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের।অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সরকার গঠনের এত স্বল্প সময়ের মধ্যে বরুড়া সফরে আসছেন, যা বরুড়ার রাজনৈতিক মর্যাদাকে সম্পূর্ণ নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই দুর্লভ সম্মান ও গৌরব অর্জনের মূল কৃতিত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্বের।মন্ত্রীর নির্দেশনায় মাঠে নামলেন সবাইপ্রধানমন্ত্রীর এই মহাগুরুত্বপূর্ণ সফরকে নিখুঁত ও সর্বোচ্চ সাফল্যমণ্ডিত করতে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বরুড়া উপজেলা জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতিমূলক কর্মযজ্ঞ।মন্ত্রীর নির্দেশনায় বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরেজমিনে একাধিক বার সফরস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করছেন এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির প্রতিটি দিক নিবিড় ভাবে তদারকি করছেন। মাঠ গোছানো, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা, জনসমাগম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে চলছে অবিরাম কর্মব্যস্ততা।দলীয় সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে সমানভাবে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম । সভাপতির প্রাণবন্ত নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নিবেদিত প্রাণ নেতাকর্মী দিনরাত অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। রাস্তাঘাট সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জনসভাস্থল প্রস্তুত করা ও নিরাপত্তা সমন্বয়ে চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ।প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের এই অসাধারণ সমন্বয় ও একতার দৃশ্য বরুড়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল ও অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বরুড়ার গর্ব, ইতিহাসের নির্মাতাবরুড়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নাম আজ চিরস্থায়ীভাবে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। বরুড়া উপজেলার ইতিহাসে তিনিই প্রথম কৃতী সন্তান যিনি কেবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে এলাকার সম্মান, মর্যাদা ও গৌরবকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।সরকার গঠনের অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিজ নির্বাচনী এলাকায় নিয়ে আসার এই অসাধারণ রাজনৈতিক সাফল্য—যা বহু অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের পক্ষেও সারাজীবনে অর্জন করা সম্ভব হয় না—তা সম্ভব করে দেখালেন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তাঁর এই একক উদ্যোগ, অদম্য মনোবল ও অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কাছে বরুড়াবাসী আজ নতমস্তকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বরুড়াবাসী শুধু একজন মন্ত্রী পাননি, পেয়েছেন একজন সত্যিকারের দূরদর্শী, নিবেদিতপ্রাণ ও জনদরদি নেতা।উৎসবের সাজে বরুড়া, সর্বত্র একটাই স্লোগানপ্রায় ৫ লাখ জনবসতির ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরুড়া উপজেলা এখন সেজেছে এক নতুন উৎসবের রূপে। প্রতিটি সড়ক, প্রতিটি মোড় ও প্রতিটি এলাকায় শোভা পাচ্ছে রঙিন তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও হৃদয়ছোঁয়া শুভেচ্ছাবার্তা।বয়োজ্যেষ্ঠরা বলছেন, এমন ঐতিহাসিক মুহূর্ত জীবনে বারবার আসে না। তরুণ প্রজন্ম বলছে, আমরা সৌভাগ্যবান—এই ইতিহাসের মহামুহূর্তের জীবন্ত সাক্ষী হতে পারছি। সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক কর্মী—সবার মুখে গভীর কৃতজ্ঞতার ভাষায় উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন।সর্বত্র মুখরিত হচ্ছে একটাই স্লোগান:“সুস্বাগতম প্রধানমন্ত্রী, ধন্য বরুড়াবাসী, ধন্য মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন।”বরুড়াবাসীর প্রত্যাশা ও শুভকামনাবরুড়াবাসীর গভীর প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর কেবল একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই সফরের মধ্য দিয়ে বরুড়ার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানসহ সার্বিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে এবং বরুড়া পরিণত হবে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে।স্থানীয়রা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই স্বপ্নযাত্রার অগ্রনায়ক হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নাম বরুড়ার ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।প্রায় ৫ লাখ বরুড়াবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানানো হচ্ছে আন্তরিক অভিনন্দন, গভীর শ্রদ্ধা ও প্রাণঢালা স্বাগত। মহান আল্লাহর দরবারে বরুড়াবাসীর একটাই প্রার্থনা—এই সফর হোক সফল, বরকতময় ও চিরস্মরণীয়।বরুড়াবাসীর পক্ষে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দাবী জানাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বরুড়ায় আসবেন সেই বরুড়াবাসীর দীর্ঘদীনের দাবী কৃষিতে সমৃদ্ধ বরুড়ার সীমানায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ক্লোড স্টোরেজ, হাইটেক পার্ক, আইটি ট্রেনিং সেন্টার, ও ঢাকা কুমিল্লা রেললাইন টি বরুড়ায় সংযুক্তি ও ১ শো শর্য্যা একটি হসপিটাল।