কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর একটি সমাবেশ শেষে ফেরার পথে জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার জন্য বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে জামায়াত। ঘটনায় শিবির সভাপতিসহ অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি শেষে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে হাটবাইর এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে চৌদ্দগ্রাম দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতিসহ জামায়াত–শিবিরের পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোরশেদ বলেন, এলাকায় সংঘর্ষ চলছে। আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছি। একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে আগে থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন দাবি করেন, বিএনপি নেতা মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম বলেন, গুলি তারাই করেছে। আমাদেরও ১২ থেকে ১৩ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আমাদের নেতা গাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর একটি সমাবেশ শেষে ফেরার পথে জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার জন্য বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে জামায়াত। ঘটনায় শিবির সভাপতিসহ অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি শেষে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে হাটবাইর এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে চৌদ্দগ্রাম দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতিসহ জামায়াত–শিবিরের পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোরশেদ বলেন, এলাকায় সংঘর্ষ চলছে। আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছি। একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে আগে থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন দাবি করেন, বিএনপি নেতা মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম বলেন, গুলি তারাই করেছে। আমাদেরও ১২ থেকে ১৩ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আমাদের নেতা গাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন