দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ফলে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এমন বাস্তবতায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি উল্লেখ করেন, সারাদেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাই এসব অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, জনজীবনে শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না। দুর্নীতি ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল থাকার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে নির্ধারিত আইন ও বিধিবদ্ধ নীতিমালার ভিত্তিতে। দলীয় প্রভাব, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নয়—রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসনই হবে চূড়ান্ত নির্দেশক।
নতুন সরকারের এ অবস্থানকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ফলে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এমন বাস্তবতায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি উল্লেখ করেন, সারাদেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাই এসব অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, জনজীবনে শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না। দুর্নীতি ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল থাকার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে নির্ধারিত আইন ও বিধিবদ্ধ নীতিমালার ভিত্তিতে। দলীয় প্রভাব, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নয়—রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসনই হবে চূড়ান্ত নির্দেশক।
নতুন সরকারের এ অবস্থানকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন