ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় কৃষক নিহত, আটক ২


প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় কৃষক নিহত, আটক ২

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী ইউনিয়নের বসন্তপুর জয়ন্তী নগর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বোনজামাই ও ভাগ্নের মারপিটে কেসমত আলী (৫৬) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কেসমত আলী ওই গ্রামের মৃত সিরাজ সর্দারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কৃষক কেসমত আলীর সাথে কয়েকবছর ধরে তার ছোট বোনজামাই নবছদ্দির জমি নিয়ে বিরোধ চলছিলো। বৃহস্পতিবার সকালে নবিছদ্দি ও কেসমত আলীর এ নিয়ে বাক-বিতন্ডা হয়। এরই এক পর্যায়ে নবিছদ্দি ও তার পরিবারের লোকজন কেসমত আলীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এ দিকে এ ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত নবিছদ্দি ও তার ছেলে রফিকুলকে।



ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ফারিয়া তাহসিন বলেন, কেসমত আলীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিলো। আঘাতজনিত কারণ অথবা স্ট্রোকেও সে মারা যেতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই সঠিক কারণ জানা যাবে।
শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, হত্যার ঘটনায় আমরা দুইজনকে আটক করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে সেই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় কৃষক নিহত, আটক ২

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী ইউনিয়নের বসন্তপুর জয়ন্তী নগর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বোনজামাই ও ভাগ্নের মারপিটে কেসমত আলী (৫৬) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কেসমত আলী ওই গ্রামের মৃত সিরাজ সর্দারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কৃষক কেসমত আলীর সাথে কয়েকবছর ধরে তার ছোট বোনজামাই নবছদ্দির জমি নিয়ে বিরোধ চলছিলো। বৃহস্পতিবার সকালে নবিছদ্দি ও কেসমত আলীর এ নিয়ে বাক-বিতন্ডা হয়। এরই এক পর্যায়ে নবিছদ্দি ও তার পরিবারের লোকজন কেসমত আলীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এ দিকে এ ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত নবিছদ্দি ও তার ছেলে রফিকুলকে।



ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ফারিয়া তাহসিন বলেন, কেসমত আলীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিলো। আঘাতজনিত কারণ অথবা স্ট্রোকেও সে মারা যেতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই সঠিক কারণ জানা যাবে।
শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, হত্যার ঘটনায় আমরা দুইজনকে আটক করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে সেই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত