ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনকালে ৭ জন গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড



মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনকালে ৭ জন গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড

কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান। বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বেচাকেনা ও সেবন চলছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানে অংশ নেন।

অভিযানকালে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযুক্ত সাতজনকে মোট এক হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানান, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, “মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” 

উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি নিজ এলাকায় প্রথম সফরে এসে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। এরপর থেকে প্রশাসনের তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনকালে ৭ জন গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান। বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।


সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বেচাকেনা ও সেবন চলছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানে অংশ নেন।


অভিযানকালে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযুক্ত সাতজনকে মোট এক হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।


উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানান, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, “মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” 



উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি নিজ এলাকায় প্রথম সফরে এসে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। এরপর থেকে প্রশাসনের তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত