চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে গত দুই দিনে ৫ জনের মধ্যে মৃত চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টায় তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের ছোটতুলাগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত তিনজনের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে আরও একজনের দাফন সম্পন্ন হয়। আজ সকালে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলেন: শাওন (শাখাওয়াতের বড় ছেলে), রানী বেগম (শাখাওয়াতের স্ত্রী, )সামির আহমেদ সুমন (শাখাওয়াতের বড় ভাই), পাখি আক্তার (সুমনের স্ত্রী) ও শাখাওয়াত হোসেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়নব্যাপী একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
জানাজায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ শোকাতুর গ্রামবাসী। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের ৯জন দগ্ধ হয়। গত দুই দিনে এই চারজন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো দেশে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
পরিবারটির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই বিপর্যয়ে এখনো থামেনি মৃত্যুর শঙ্কা। পরিবারের কর্তা শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। এছাড়া পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শোকাতুর স্বজন ও গ্রামবাসী দগ্ধ বাকি সদস্যদের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে গত দুই দিনে ৫ জনের মধ্যে মৃত চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টায় তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের ছোটতুলাগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত তিনজনের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে আরও একজনের দাফন সম্পন্ন হয়। আজ সকালে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলেন: শাওন (শাখাওয়াতের বড় ছেলে), রানী বেগম (শাখাওয়াতের স্ত্রী, )সামির আহমেদ সুমন (শাখাওয়াতের বড় ভাই), পাখি আক্তার (সুমনের স্ত্রী) ও শাখাওয়াত হোসেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়নব্যাপী একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
জানাজায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ শোকাতুর গ্রামবাসী। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের ৯জন দগ্ধ হয়। গত দুই দিনে এই চারজন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো দেশে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
পরিবারটির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই বিপর্যয়ে এখনো থামেনি মৃত্যুর শঙ্কা। পরিবারের কর্তা শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। এছাড়া পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শোকাতুর স্বজন ও গ্রামবাসী দগ্ধ বাকি সদস্যদের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন