ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

চান্দিনায় নিখোঁজ রাসেলের সন্ধানে মানববন্ধন



চান্দিনায় নিখোঁজ রাসেলের সন্ধানে মানববন্ধন

তিন মাস ধরে নিখোঁজ রাসেল মুন্সির (২৭) সন্ধানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চান্দিনা থানার প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

নিখোঁজ রাসেল মুন্সি কোথায় আছে, বেঁচে আছে না মারা গেছে ? এসব বিষয় প্রশাসনের নিকট জবাব চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তার মা-বাবা, স্ত্রী, কন্যা ও ভাই-বোন সহ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ।


রাসেল চান্দিনা পৌর এলাকার মহারং মুন্সি বাড়ির মনিরুল ইসলাম মুন্সির বড় ছেলে। গত বছরের ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে রাসেল এর কোন সন্ধান না পেয়ে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাসেল মুন্সির ছোট ভাই মাসুদ রানা চান্দিনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ ৩ মাসেও সন্ধান না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনায় চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়েরের পর পাশ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকায় একটি পরিত্যাক্ত ঘর থেকে রাসেল মুন্সির ব্যবহৃত ব্যাগ, আতর এবং ঘরের মেঝে ও দেয়ালে রক্তের দাগ পায় পুলিশ। সেদিন সিআইডি’র সহযোগিতায় আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট এর জন্য ল্যাবে প্রেরণ করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাসেল এর ঘনিষ্ট ৩ জনকে আটক করেছিলো পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন আরও ১জনকে আটক করে পৃথক সময়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে রিমান্ডে আসামীদের কাছ থেকে নিখোঁজ রাসেল মুন্সি সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি পুলিশ।


এ বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান জানান- তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ পর্যন্ত আমরা ৪জন আসামীকে আটক করেছি এবং রিমান্ডেও নিয়েছি। তবে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। ডিএনএ রিপোর্ট আসলে মামলাটির দ্রুত অগ্রগতি হবে। আশাকরি রাসেল মুন্সিকে জীবিত উদ্ধার করতে পারবো।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


চান্দিনায় নিখোঁজ রাসেলের সন্ধানে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

তিন মাস ধরে নিখোঁজ রাসেল মুন্সির (২৭) সন্ধানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চান্দিনা থানার প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।


নিখোঁজ রাসেল মুন্সি কোথায় আছে, বেঁচে আছে না মারা গেছে ? এসব বিষয় প্রশাসনের নিকট জবাব চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তার মা-বাবা, স্ত্রী, কন্যা ও ভাই-বোন সহ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ।


রাসেল চান্দিনা পৌর এলাকার মহারং মুন্সি বাড়ির মনিরুল ইসলাম মুন্সির বড় ছেলে। গত বছরের ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে রাসেল এর কোন সন্ধান না পেয়ে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাসেল মুন্সির ছোট ভাই মাসুদ রানা চান্দিনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ ৩ মাসেও সন্ধান না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনায় চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়েরের পর পাশ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকায় একটি পরিত্যাক্ত ঘর থেকে রাসেল মুন্সির ব্যবহৃত ব্যাগ, আতর এবং ঘরের মেঝে ও দেয়ালে রক্তের দাগ পায় পুলিশ। সেদিন সিআইডি’র সহযোগিতায় আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট এর জন্য ল্যাবে প্রেরণ করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাসেল এর ঘনিষ্ট ৩ জনকে আটক করেছিলো পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন আরও ১জনকে আটক করে পৃথক সময়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে রিমান্ডে আসামীদের কাছ থেকে নিখোঁজ রাসেল মুন্সি সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি পুলিশ।


এ বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান জানান- তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ পর্যন্ত আমরা ৪জন আসামীকে আটক করেছি এবং রিমান্ডেও নিয়েছি। তবে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। ডিএনএ রিপোর্ট আসলে মামলাটির দ্রুত অগ্রগতি হবে। আশাকরি রাসেল মুন্সিকে জীবিত উদ্ধার করতে পারবো।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত