বেইজিংয়ে চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেস কর্তৃক প্রকাশিত ‘২০২৫ চীনের অনলাইন সাহিত্যের উন্নয়ন প্রতিবেদন’ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ চীনের অনলাইন সাহিত্য পঠন বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০.২১ বিলিয়ন ইউয়ান। যা আগের বছরের তুলনায় ১৬.৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, অনলাইন সাহিত্যের আইপি রূপান্তর বা অ্যাডাপটেশন বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৩৬৭.৬১ বিলিয়ন ইউয়ানে, যা আগের বছরের চেয়ে ২৩.১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে অনলাইন সাহিত্যের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। নীতিগত সহায়তা ও নির্দেশনা, সাহিত্য-শিল্প ও প্রযুক্তির আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় এবং অন্যান্য শক্তির যৌথ প্রণোদনায় অনলাইন সাহিত্য সৃষ্টি, উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রচার ও ভ্যালু চেইন ক্রমশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে। এটি পাঠকদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক, বৈচিত্র্যময় বিষয় ও বিভিন্ন ধরনের পঠন সম্পদ সরবরাহ করছে। পাশাপাশি, এটি বিস্তৃত বিনোদন শিল্পের জন্য বিপুল সংখ্যক আইপি উৎস হিসেবে কাজ করছে। এটি সংস্কৃতি ও পর্যটনের গভীর সমন্বয় এবং এআই প্রযুক্তির ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করছে, যা ইন্টারনেট যুগে চীনা সংস্কৃতির বিশ্বায়নে ‘নতুন তিনটি খাতের’ ভিত্তিগত শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বেইজিংয়ে চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেস কর্তৃক প্রকাশিত ‘২০২৫ চীনের অনলাইন সাহিত্যের উন্নয়ন প্রতিবেদন’ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ চীনের অনলাইন সাহিত্য পঠন বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০.২১ বিলিয়ন ইউয়ান। যা আগের বছরের তুলনায় ১৬.৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, অনলাইন সাহিত্যের আইপি রূপান্তর বা অ্যাডাপটেশন বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৩৬৭.৬১ বিলিয়ন ইউয়ানে, যা আগের বছরের চেয়ে ২৩.১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে অনলাইন সাহিত্যের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। নীতিগত সহায়তা ও নির্দেশনা, সাহিত্য-শিল্প ও প্রযুক্তির আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় এবং অন্যান্য শক্তির যৌথ প্রণোদনায় অনলাইন সাহিত্য সৃষ্টি, উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রচার ও ভ্যালু চেইন ক্রমশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে। এটি পাঠকদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক, বৈচিত্র্যময় বিষয় ও বিভিন্ন ধরনের পঠন সম্পদ সরবরাহ করছে। পাশাপাশি, এটি বিস্তৃত বিনোদন শিল্পের জন্য বিপুল সংখ্যক আইপি উৎস হিসেবে কাজ করছে। এটি সংস্কৃতি ও পর্যটনের গভীর সমন্বয় এবং এআই প্রযুক্তির ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করছে, যা ইন্টারনেট যুগে চীনা সংস্কৃতির বিশ্বায়নে ‘নতুন তিনটি খাতের’ ভিত্তিগত শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

আপনার মতামত লিখুন