ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

বিশ্ব উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ দশে চীন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব



বিশ্ব উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ দশে চীন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব
বেইজিংয়ে ২৬ ডিসেম্বর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান জানান, ২০২৫ সালে ‘চীনা উদ্ভাবন’ বিশ্বজুড়ে একটি বহুল আলোচিত শব্দ বা ‘হট ওয়ার্ড’-এ পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছরে বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে চীনের অবস্থান প্রথম দশটি দেশের মধ্যে রয়েছে। এই উদ্ভাবনী শক্তি চীনের অর্থনীতির স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুত্থানে সহায়তা করছে এবং বিভিন্ন দেশের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনছে। মুখপাত্র আরও বলেন, চীনের উচ্চগতির রেলপথ এবং স্মার্ট বন্দর নির্মাণের উন্নত প্রযুক্তি ও পদ্ধতি অন্যান্য দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চীনের নিজস্ব ‘পেইতৌ সিস্টেম’ বর্তমান বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলকে সেবা দিচ্ছে, যা দুর্যোগ পূর্বাভাসসহ নানা খাতে কার্যকর অবদান রাখছে। এ ছাড়া, চীন ও ব্রাজিলের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কেন্দ্রের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলেও এখন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। চীন বর্তমানে মঙ্গোলিয়া ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সাথে মরুভূমি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি বিনিময় করছে। পাশাপাশি, চীনের ‘স্মার্ট কৃষি’ প্রযুক্তি মিশরকে পানিসম্পদ সংকট মোকাবিলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষভাবে সহায়তা করছে। সূত্র : সিএমজি।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


বিশ্ব উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ দশে চীন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
বেইজিংয়ে ২৬ ডিসেম্বর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান জানান, ২০২৫ সালে ‘চীনা উদ্ভাবন’ বিশ্বজুড়ে একটি বহুল আলোচিত শব্দ বা ‘হট ওয়ার্ড’-এ পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছরে বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে চীনের অবস্থান প্রথম দশটি দেশের মধ্যে রয়েছে। এই উদ্ভাবনী শক্তি চীনের অর্থনীতির স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুত্থানে সহায়তা করছে এবং বিভিন্ন দেশের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনছে। মুখপাত্র আরও বলেন, চীনের উচ্চগতির রেলপথ এবং স্মার্ট বন্দর নির্মাণের উন্নত প্রযুক্তি ও পদ্ধতি অন্যান্য দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চীনের নিজস্ব ‘পেইতৌ সিস্টেম’ বর্তমান বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলকে সেবা দিচ্ছে, যা দুর্যোগ পূর্বাভাসসহ নানা খাতে কার্যকর অবদান রাখছে। এ ছাড়া, চীন ও ব্রাজিলের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কেন্দ্রের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলেও এখন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। চীন বর্তমানে মঙ্গোলিয়া ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সাথে মরুভূমি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি বিনিময় করছে। পাশাপাশি, চীনের ‘স্মার্ট কৃষি’ প্রযুক্তি মিশরকে পানিসম্পদ সংকট মোকাবিলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষভাবে সহায়তা করছে। সূত্র : সিএমজি।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত