মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় জোর

চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় জোর

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের চীন সফরকে সামনে রেখে বেলগ্রেডে চীনা তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), সার্বিয়ান ন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন, সার্বিয়ার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সার্বিয়ায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস, চীনে অবস্থিত সার্বিয়ান দূতাবাস এবং বেলগ্রেড চাইনিজ কালচারাল সেন্টার।

অনুষ্ঠানে সার্বিয়ার জাতীয় সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিনা রাগুশ এবং তথ্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বরিস ব্রাতিনা বক্তব্য দেন। সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার বিভাগের উপমন্ত্রী এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট শেন হাইসিয়োং একটি লিখিত বার্তা পাঠান। অনুষ্ঠানে ১৫০ জনেরও বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

বার্তায় শেন হাইসিয়োং বলেন, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কৌশলগত নেতৃত্বে নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের কাজ আরও গভীর ও বাস্তবমুখী হয়েছে। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের হাত ধরে ছড়িয়েছে নতুন প্রাণশক্তি।

তিনি আরও বলেন, চীন ও সার্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নের একটি বাস্তব পদক্ষেপ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র এমন একটি শিল্পভাষা, যা জাতীয় সীমানা ও সময়ের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে সক্ষম। এ প্রদর্শনীর জন্য সিএমজি বিশেষভাবে ‘সি চিন পিংয়ের সাংস্কৃতিক সংযোগ’ এবং ‘প্রেসিডেন্ট সি-এর চিঠি’সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র নির্বাচন করেছে। এসব প্রামাণ্যচিত্র সার্বিয়ার দর্শকদের চীনা ধাঁচের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের নেতৃত্ব এবং চীনা জনগণের প্রচেষ্টা সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা দেবে।

শেন হাইসিয়োং বলেন, সিএমজি সার্বিয়ার গণমাধ্যম ও বিভিন্ন অঙ্গনের বন্ধুদের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করতে আগ্রহী। সিএমজির বৈশ্বিক সম্প্রচার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দুই দেশের উন্নয়নগত প্রাণশক্তি ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ তুলে ধরা, আলো-ছায়ার শিল্পভাষার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও বিকশিত করা এবং নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে অবদান রাখাই তাদের লক্ষ্য।

মারিনা রাগুশ বলেন, মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা এবং চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বিশ্বের যৌথ উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী রূপরেখা উপস্থাপন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সার্বিয়া হলো প্রথম ইউরোপীয় দেশ, যা চীনের সঙ্গে যৌথভাবে অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের পথে এগিয়েছে। এটি দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত, বিশেষ ও উচ্চপর্যায়ের বৈশিষ্ট্যকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে।

তিনি আরও বলেন, সার্বিয়ান ন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন এবং সিএমজি ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সূত্র:রুবি-ফয়সল-লাবণ্য,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় জোর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের চীন সফরকে সামনে রেখে বেলগ্রেডে চীনা তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), সার্বিয়ান ন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন, সার্বিয়ার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সার্বিয়ায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস, চীনে অবস্থিত সার্বিয়ান দূতাবাস এবং বেলগ্রেড চাইনিজ কালচারাল সেন্টার।


অনুষ্ঠানে সার্বিয়ার জাতীয় সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিনা রাগুশ এবং তথ্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বরিস ব্রাতিনা বক্তব্য দেন। সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার বিভাগের উপমন্ত্রী এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট শেন হাইসিয়োং একটি লিখিত বার্তা পাঠান। অনুষ্ঠানে ১৫০ জনেরও বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন।


বার্তায় শেন হাইসিয়োং বলেন, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কৌশলগত নেতৃত্বে নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের কাজ আরও গভীর ও বাস্তবমুখী হয়েছে। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের হাত ধরে ছড়িয়েছে নতুন প্রাণশক্তি।


তিনি আরও বলেন, চীন ও সার্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নের একটি বাস্তব পদক্ষেপ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।


তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র এমন একটি শিল্পভাষা, যা জাতীয় সীমানা ও সময়ের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে সক্ষম। এ প্রদর্শনীর জন্য সিএমজি বিশেষভাবে ‘সি চিন পিংয়ের সাংস্কৃতিক সংযোগ’ এবং ‘প্রেসিডেন্ট সি-এর চিঠি’সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র নির্বাচন করেছে। এসব প্রামাণ্যচিত্র সার্বিয়ার দর্শকদের চীনা ধাঁচের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের নেতৃত্ব এবং চীনা জনগণের প্রচেষ্টা সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা দেবে।


শেন হাইসিয়োং বলেন, সিএমজি সার্বিয়ার গণমাধ্যম ও বিভিন্ন অঙ্গনের বন্ধুদের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করতে আগ্রহী। সিএমজির বৈশ্বিক সম্প্রচার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দুই দেশের উন্নয়নগত প্রাণশক্তি ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ তুলে ধরা, আলো-ছায়ার শিল্পভাষার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও বিকশিত করা এবং নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে অবদান রাখাই তাদের লক্ষ্য।


মারিনা রাগুশ বলেন, মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা এবং চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বিশ্বের যৌথ উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী রূপরেখা উপস্থাপন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সার্বিয়া হলো প্রথম ইউরোপীয় দেশ, যা চীনের সঙ্গে যৌথভাবে অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের পথে এগিয়েছে। এটি দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত, বিশেষ ও উচ্চপর্যায়ের বৈশিষ্ট্যকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে।


তিনি আরও বলেন, সার্বিয়ান ন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন এবং সিএমজি ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


সূত্র:রুবি-ফয়সল-লাবণ্য,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই