মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

চীনা সংস্কৃতিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম শেনচেন মেলা

চীনা সংস্কৃতিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম শেনচেন মেলা

২২তম চীন (শেনচেন) আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক শিল্প মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীনের কুয়াংতোং প্রদেশের শেনচেন শহরে এ আয়োজনের উদ্বোধন হয়। 

পাঁচ দিনব্যাপী চলমান এ মেলায় সাংস্কৃতিক শিল্পের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ৬ হাজার ৩১২টি প্রদর্শক বুথ অংশ নিয়েছে।  প্রদর্শন করা হচ্ছে এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি সাংস্কৃতিক পণ্য। 

শেনচেন বিশ্ব প্রদর্শনী ও সম্মেলন কেন্দ্রে মোট আটটি প্রদর্শনী হল স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে কুয়াংতং-হংকং-ম্যাকাও গ্রেটার বে এরিয়ার সাংস্কৃতিক শিল্প উদ্ভাবন নিয়ে একটি বিশেষ হলও রয়েছে।

এ বছরের মেলায় প্রথমবারের মতো এপেক অর্থনীতির জন্য এক বিশেষ প্রদর্শনী এলাকা স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পর্যটনের সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলটির বিশেষ পণ্য, বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পণ্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক খাবারও প্রদর্শীত হচ্ছে।

চলতি বছরের নভেম্বরেই শেনচেনে ৩৩তম এপেক অর্থনৈতিক নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মেলাটি বর্তমানে চীনের অন্যতম শীর্ষ সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং চীনা সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


চীনা সংস্কৃতিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম শেনচেন মেলা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

২২তম চীন (শেনচেন) আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক শিল্প মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীনের কুয়াংতোং প্রদেশের শেনচেন শহরে এ আয়োজনের উদ্বোধন হয়। 

পাঁচ দিনব্যাপী চলমান এ মেলায় সাংস্কৃতিক শিল্পের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ৬ হাজার ৩১২টি প্রদর্শক বুথ অংশ নিয়েছে।  প্রদর্শন করা হচ্ছে এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি সাংস্কৃতিক পণ্য। 

শেনচেন বিশ্ব প্রদর্শনী ও সম্মেলন কেন্দ্রে মোট আটটি প্রদর্শনী হল স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে কুয়াংতং-হংকং-ম্যাকাও গ্রেটার বে এরিয়ার সাংস্কৃতিক শিল্প উদ্ভাবন নিয়ে একটি বিশেষ হলও রয়েছে।

এ বছরের মেলায় প্রথমবারের মতো এপেক অর্থনীতির জন্য এক বিশেষ প্রদর্শনী এলাকা স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পর্যটনের সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলটির বিশেষ পণ্য, বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পণ্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক খাবারও প্রদর্শীত হচ্ছে।

চলতি বছরের নভেম্বরেই শেনচেনে ৩৩তম এপেক অর্থনৈতিক নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মেলাটি বর্তমানে চীনের অন্যতম শীর্ষ সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং চীনা সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই