ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে আবারও ৭ কাঠুরে অপহরণ

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহরণের শিকার হয়েছেন ৭ জন ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে টেকনাফের জাহাজপুরা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অপহরণের শিকার ব্যক্তিরা হলেন- জাহাজপুরা এলাকার জাফর আলমের ছেলে জাবরুল ইসলাম, বশির আহমেদের ছেলে ফজল করিম, ইসহাকের ছেলে গিয়াস উদ্দিন, হায়দার আলীর ছেলে রশিদ আলম, নজির আহমেদের ছেলে আরিফ উল্লাহ, হায়দার আলীর ছেলে জাফর আলম ও জাফর আলমের ছেলে জয়নুল ইসলাম।

বিষয়টি স্বীকার করে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের এমইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিক বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি, কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এলাকার ৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছে। অপহরণের খবরটি শুনে পুলিশকে জানিয়েছি।

টেকনাফ থানার ওসি আব্দুল হালিমের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি শোনার পর এ মুহূর্তে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। এলাকার মানুষ নিয়ে আমরা পাহাড়ে ঢুকবো। তবে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

এর আগে, ১৮ ডিসেম্বর টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকার একটি পাহাড়ের ভেতর খালে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন আট জন। পরে মুক্তিপণ দিয়ে তারা ফেরেন। একইভাবে গত ২৯ সেপ্টেম্বর একই উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী ও মরিচ্যাঘোনার পাহাড়ি এলাকা থেকে পাঁচ কৃষককে অপহরণ করা হন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে আবারও ৭ কাঠুরে অপহরণ

আপডেট সময় ১১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহরণের শিকার হয়েছেন ৭ জন ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে টেকনাফের জাহাজপুরা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অপহরণের শিকার ব্যক্তিরা হলেন- জাহাজপুরা এলাকার জাফর আলমের ছেলে জাবরুল ইসলাম, বশির আহমেদের ছেলে ফজল করিম, ইসহাকের ছেলে গিয়াস উদ্দিন, হায়দার আলীর ছেলে রশিদ আলম, নজির আহমেদের ছেলে আরিফ উল্লাহ, হায়দার আলীর ছেলে জাফর আলম ও জাফর আলমের ছেলে জয়নুল ইসলাম।

বিষয়টি স্বীকার করে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের এমইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিক বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি, কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এলাকার ৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছে। অপহরণের খবরটি শুনে পুলিশকে জানিয়েছি।

টেকনাফ থানার ওসি আব্দুল হালিমের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি শোনার পর এ মুহূর্তে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। এলাকার মানুষ নিয়ে আমরা পাহাড়ে ঢুকবো। তবে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

এর আগে, ১৮ ডিসেম্বর টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকার একটি পাহাড়ের ভেতর খালে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন আট জন। পরে মুক্তিপণ দিয়ে তারা ফেরেন। একইভাবে গত ২৯ সেপ্টেম্বর একই উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী ও মরিচ্যাঘোনার পাহাড়ি এলাকা থেকে পাঁচ কৃষককে অপহরণ করা হন।