ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রসুলপুরের জামাই মেলায় উপচে পড়া ভিড়

ব্রিটিশ আমলে থেকে সবার কাছে ‘জামাই মেলা’ নামেই পরিচিত এই বৈশাখী এই মেলা শুরু হওয়ায় আশেপাশের ৩০ গ্রামের জামাইরা শ্বশুরবাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এ মেলা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে চলবে বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) পর্যন্ত। এ মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিবছর ১১,১২ ও ১৩ বৈশাখ (সনাতন পঞ্জিকা অনুসারে) রসুলপুরে এই মেলাকে কেন্দ্র করে আশে পাশের অন্তত ৩০ গ্রামের জামাইয়েরা শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসেন। তারাই মেলার মূল আকর্ষণ। আর মেলায় জমায়েত হন ৩০ গ্রামের জামাইয়েরা
এছাড়া মেলার দিন শাশুড়িরা মেয়ের জামাইয়ের হাতে টাকা দেন। সেই টাকা দিয়ে জামাই বাজার করে এনে শ্বশুরবাড়ির লোকদের খাওয়ান। এ কারণেই মেলাটি ‘জামাই মেলা’ হিসেবে পরিচিত। রসুলপুরসহ আশপাশের গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের আগমন ঘটে এই মেলায়। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের খেলনা, প্রসাধনী, খাবারের দোকানসহ ছোট-বড় প্রায় দেড় শতাধিক দোকান বসেছে। মিষ্টি জাতীয় পণ্যে, ফার্নিচারের দোকান সহ বাচ্চাদের খেলনার দোকান বসেছে। বড়দের পাশাপাশি ছোট ছেলেমেয়েরা এ মেলা উপভোগ করছে। বাড়ির মেয়ের জামাইরা মেলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি আসায় ও মহাসড়কের পাশে হওয়ায় মেলাটি প্রতিবছরি বেশ জমে উঠে। এটি টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী বড় মেলা। এই মেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রসুলপুরের জামাই মেলায় উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় ০১:০১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

ব্রিটিশ আমলে থেকে সবার কাছে ‘জামাই মেলা’ নামেই পরিচিত এই বৈশাখী এই মেলা শুরু হওয়ায় আশেপাশের ৩০ গ্রামের জামাইরা শ্বশুরবাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এ মেলা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে চলবে বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) পর্যন্ত। এ মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিবছর ১১,১২ ও ১৩ বৈশাখ (সনাতন পঞ্জিকা অনুসারে) রসুলপুরে এই মেলাকে কেন্দ্র করে আশে পাশের অন্তত ৩০ গ্রামের জামাইয়েরা শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসেন। তারাই মেলার মূল আকর্ষণ। আর মেলায় জমায়েত হন ৩০ গ্রামের জামাইয়েরা
এছাড়া মেলার দিন শাশুড়িরা মেয়ের জামাইয়ের হাতে টাকা দেন। সেই টাকা দিয়ে জামাই বাজার করে এনে শ্বশুরবাড়ির লোকদের খাওয়ান। এ কারণেই মেলাটি ‘জামাই মেলা’ হিসেবে পরিচিত। রসুলপুরসহ আশপাশের গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের আগমন ঘটে এই মেলায়। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের খেলনা, প্রসাধনী, খাবারের দোকানসহ ছোট-বড় প্রায় দেড় শতাধিক দোকান বসেছে। মিষ্টি জাতীয় পণ্যে, ফার্নিচারের দোকান সহ বাচ্চাদের খেলনার দোকান বসেছে। বড়দের পাশাপাশি ছোট ছেলেমেয়েরা এ মেলা উপভোগ করছে। বাড়ির মেয়ের জামাইরা মেলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি আসায় ও মহাসড়কের পাশে হওয়ায় মেলাটি প্রতিবছরি বেশ জমে উঠে। এটি টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী বড় মেলা। এই মেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছে।