ঢাকা   বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

দলবদলের ঢেউ চুয়াডাঙ্গায়

ইসলামী আন্দোলনের ২২ নেতাসহ জামায়াতে যোগ দিলেন ৫৫ জন



ইসলামী আন্দোলনের ২২ নেতাসহ জামায়াতে যোগ দিলেন ৫৫ জন

চুয়াডাঙ্গায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করলো দলবদলের ঘটনা। ইসলামী আন্দোলনের ২২ জন নেতাকর্মীসহ মোট ৫৫ জন আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফুলের মালা পরিয়ে নতুন সদস্যদের বরণ করে নেয় জামায়াত নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনগত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের গাইদঘাট গ্রামে এই যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শাহিন আলীর নেতৃত্বে ২২ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এছাড়া রানা আলীর নেতৃত্বে আরও ১৫ জন এবং গ্রাম পর্যায়ের ১৮ জন সাধারণ মানুষ দলবদল করে জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত হন।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মহসিন আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আনোয়ারুল হক মালিক, সদর উপজেলা আমির বিল্লাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি শাহেনুজ্জামান, সাজিবুল ইসলাম নয়ন, আসির উদ্দিন মামুন, মামুন হাওলাদার, ডা. আহমদ মনিরসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

যোগদান অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহিন আলী বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আমাদের কাজের ধারা ও মানসিকতার মিল খুঁজে পাইনি। ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার থেকেই আমরা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি। দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করতে জনগণকে সচেতন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।


উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাসুদ পারভেজ রাসেল নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেন। আলমডাঙ্গার নিজ মহল্লায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর মহল্লাবাসীর দোয়া গ্রহণ, গ্রামের কবরস্থান জিয়ারত এবং মা–বাবার কাছে দোয়া চাওয়ার মধ্য দিয়ে তার নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমের সূচনা হয়।

এই যোগদানের ঘটনাকে চুয়াডাঙ্গার রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


ইসলামী আন্দোলনের ২২ নেতাসহ জামায়াতে যোগ দিলেন ৫৫ জন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করলো দলবদলের ঘটনা। ইসলামী আন্দোলনের ২২ জন নেতাকর্মীসহ মোট ৫৫ জন আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফুলের মালা পরিয়ে নতুন সদস্যদের বরণ করে নেয় জামায়াত নেতারা।


বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনগত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের গাইদঘাট গ্রামে এই যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শাহিন আলীর নেতৃত্বে ২২ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এছাড়া রানা আলীর নেতৃত্বে আরও ১৫ জন এবং গ্রাম পর্যায়ের ১৮ জন সাধারণ মানুষ দলবদল করে জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত হন।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মহসিন আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেল।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আনোয়ারুল হক মালিক, সদর উপজেলা আমির বিল্লাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি শাহেনুজ্জামান, সাজিবুল ইসলাম নয়ন, আসির উদ্দিন মামুন, মামুন হাওলাদার, ডা. আহমদ মনিরসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


যোগদান অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহিন আলী বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আমাদের কাজের ধারা ও মানসিকতার মিল খুঁজে পাইনি। ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার থেকেই আমরা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি। দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।


জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করতে জনগণকে সচেতন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।


উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাসুদ পারভেজ রাসেল নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেন। আলমডাঙ্গার নিজ মহল্লায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর মহল্লাবাসীর দোয়া গ্রহণ, গ্রামের কবরস্থান জিয়ারত এবং মা–বাবার কাছে দোয়া চাওয়ার মধ্য দিয়ে তার নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমের সূচনা হয়।


এই যোগদানের ঘটনাকে চুয়াডাঙ্গার রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত