কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়ন মির্জানগর গ্রামে বিএনপির দুগ্রুপের জমিন নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে রবিউল (৫০) নামের এক কর্মী মারা যায় এবং ৪ জন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়র জানান ২৮ জানুয়ারি ২৫ ইং আনুমানিক সকাল সাড়ে দশ ঘটিকার দিকে বিএনপির দলীয় কার্য্যালয়ের সামনে কবির ও রবিউল এর নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কুদ্দুস ও ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর কে মারধর করে।
পরবর্তীতে নুর নবী মহিন, মঈনুল এর নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পাগলা বাজার সফিকের চা দোকানে গিয়ে দেশীয় অস্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রবিউল ও কবির এর উপর অর্তকিত হামলা করে। এতে রবিউল জাকির সহ অনেকে আহত হয়।
গুরুতর আহত রবিউল কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। রবিউল ওয়ার্ড যুবদল নেতা ও মির্জানগর গ্রামের চান মিয়ার ছেলে। গত দুই / তিন মাস আগে তাদের নিজেদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দুগ্রুপের সংঘর্ষ হয়। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে তা সমাধান করা হয়। এ বিষয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজহারুল ইসলাম বলেন, রবিউল পাগলা বাজার সফিকের চা দোকানে ছিলো। সেখানে নুরনবী, মইনুল ও মহিনের নেতৃত্ব দেশীয় অস্র নিয়ে হামলা করে। এতে রবিউল মারা যায়। জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন তাদের বিরোধ চলে আসছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়ন মির্জানগর গ্রামে বিএনপির দুগ্রুপের জমিন নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে রবিউল (৫০) নামের এক কর্মী মারা যায় এবং ৪ জন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়র জানান ২৮ জানুয়ারি ২৫ ইং আনুমানিক সকাল সাড়ে দশ ঘটিকার দিকে বিএনপির দলীয় কার্য্যালয়ের সামনে কবির ও রবিউল এর নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কুদ্দুস ও ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর কে মারধর করে।
পরবর্তীতে নুর নবী মহিন, মঈনুল এর নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পাগলা বাজার সফিকের চা দোকানে গিয়ে দেশীয় অস্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রবিউল ও কবির এর উপর অর্তকিত হামলা করে। এতে রবিউল জাকির সহ অনেকে আহত হয়।
গুরুতর আহত রবিউল কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। রবিউল ওয়ার্ড যুবদল নেতা ও মির্জানগর গ্রামের চান মিয়ার ছেলে। গত দুই / তিন মাস আগে তাদের নিজেদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দুগ্রুপের সংঘর্ষ হয়। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে তা সমাধান করা হয়। এ বিষয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজহারুল ইসলাম বলেন, রবিউল পাগলা বাজার সফিকের চা দোকানে ছিলো। সেখানে নুরনবী, মইনুল ও মহিনের নেতৃত্ব দেশীয় অস্র নিয়ে হামলা করে। এতে রবিউল মারা যায়। জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন তাদের বিরোধ চলে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন