জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র। মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে—অনেকের হাতেই রয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, কেউ কেউ আবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র জানায়, নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার পর থেকে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করে অন্তত ৩৪৭ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকাটি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে পৌঁছেছে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান মঙ্গলবার গণমাধ্যম–কে জানান, নির্বাচনকে ভীতি ও শঙ্কামুক্ত রাখতে খুব শিগগিরই পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হবে। তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হবে।
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের তথ্যমতে, যাচাই-বাছাই করেই দাগি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক সন্ত্রাসী রয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। এছাড়া কোতোয়ালি, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, বরুড়া, চান্দিনা, দাউদকান্দি, তিতাস, হোমনা, মেঘনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার ও বাঙ্গরা বাজার এলাকায়ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে লালমাই ও বুড়িচং উপজেলার তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
এর বাইরে জেলার বিভিন্ন থানায় আরও অন্তত ৭৯ জন সক্রিয় সন্ত্রাসী রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোনো সময় অভিযান শুরু হতে পারে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় সন্ত্রাসীদের চলাচল কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র। মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে—অনেকের হাতেই রয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, কেউ কেউ আবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র জানায়, নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার পর থেকে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করে অন্তত ৩৪৭ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকাটি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে পৌঁছেছে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান মঙ্গলবার গণমাধ্যম–কে জানান, নির্বাচনকে ভীতি ও শঙ্কামুক্ত রাখতে খুব শিগগিরই পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হবে। তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হবে।
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের তথ্যমতে, যাচাই-বাছাই করেই দাগি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক সন্ত্রাসী রয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। এছাড়া কোতোয়ালি, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, বরুড়া, চান্দিনা, দাউদকান্দি, তিতাস, হোমনা, মেঘনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার ও বাঙ্গরা বাজার এলাকায়ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে লালমাই ও বুড়িচং উপজেলার তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
এর বাইরে জেলার বিভিন্ন থানায় আরও অন্তত ৭৯ জন সক্রিয় সন্ত্রাসী রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোনো সময় অভিযান শুরু হতে পারে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় সন্ত্রাসীদের চলাচল কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন