শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের প্রথম জানাজা শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা নামাজে শেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, শেরপুর -১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর - ২ (নকলা নালিতাবাড়ী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি, শেরপুর -৩ ( শ্রীবরদী- ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শেরপুর জেলা শাখার আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো: লিখন মিয়াসহ জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী এবং হাজারো মুসল্লিদের অংশ গ্রহনে জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
তার দ্বিতীয় জানাজা গোপালখিলা গ্রামের বাড়িতে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
জানাযা উপলক্ষে শ্রীবরদী উপজেলা প্রশাসন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। চার প্লাটুন বিজিবি ও সেনাসদস্যরা টহল দেয়।
শেরপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে আরও অবনতি না ঘটে সেজন্য অতিরিক্ত সেনাসদস্যদের রাস্তায় টহল জোরদার করতে দেখা গেছে।
ঝিনাইগাতী বাজারে বিজিবি সদস্যরা টহল জোরদার করেছে। এ ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৮ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে জামায়াতের অন্তত ৬০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় হাসপাতালে ১৬ জনকে ভর্তি করা হয় এবং ৩ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবর্দী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার রাতে শেরপুর সহ সারাদেশে প্রতিবাদ মিছিল করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতীতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের প্রথম জানাজা শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা নামাজে শেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, শেরপুর -১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর - ২ (নকলা নালিতাবাড়ী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি, শেরপুর -৩ ( শ্রীবরদী- ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শেরপুর জেলা শাখার আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো: লিখন মিয়াসহ জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী এবং হাজারো মুসল্লিদের অংশ গ্রহনে জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
তার দ্বিতীয় জানাজা গোপালখিলা গ্রামের বাড়িতে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
জানাযা উপলক্ষে শ্রীবরদী উপজেলা প্রশাসন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। চার প্লাটুন বিজিবি ও সেনাসদস্যরা টহল দেয়।
শেরপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে আরও অবনতি না ঘটে সেজন্য অতিরিক্ত সেনাসদস্যদের রাস্তায় টহল জোরদার করতে দেখা গেছে।
ঝিনাইগাতী বাজারে বিজিবি সদস্যরা টহল জোরদার করেছে। এ ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৮ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে জামায়াতের অন্তত ৬০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় হাসপাতালে ১৬ জনকে ভর্তি করা হয় এবং ৩ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবর্দী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার রাতে শেরপুর সহ সারাদেশে প্রতিবাদ মিছিল করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতীতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন