ফিলিপাইনের সেবুতে ‘দক্ষিণ চীন সাগরে পক্ষগুলোর আচরণ সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র’ বাস্তবায়নের ওপর চীন এবং আসিয়ান দেশগুলোর ২৫তম উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক ৩০শে জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমানা ও সমুদ্র বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হৌ ইয়ানছি এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আমরান যৌথভাবে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে আসিয়ান দেশগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সব পক্ষ একমত হয়েছে যে, দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সংলাপ জোরদার করা, সংযম প্রদর্শন করা, সঠিকভাবে মতপার্থক্য মোকাবিলা করা, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করা এবং সমুদ্রে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে সমর্থন করে। এ ছাড়া সব পক্ষ ঘোষণাপত্রটি সম্পূর্ণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং আইন প্রয়োগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে ‘দক্ষিণ চীন সাগরে আচরণবিধি’ সম্পর্কিত পরামর্শে অর্জিত ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি সব পক্ষ নিশ্চিত করেছে। তারা পরবর্তী পর্যায়ের পরামর্শের জন্য একটি রোডম্যাপ পর্যালোচনা ও গ্রহণ করেছে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই আচরণবিধি সম্পর্কিত একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য পরামর্শ প্রক্রিয়া বেগবান করতে সম্মত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীন এবং আসিয়ান দেশগুলো ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের ওপর ৫১তম যৌথ কর্মগোষ্ঠীর সভাও করছে।
সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফিলিপাইনের সেবুতে ‘দক্ষিণ চীন সাগরে পক্ষগুলোর আচরণ সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র’ বাস্তবায়নের ওপর চীন এবং আসিয়ান দেশগুলোর ২৫তম উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক ৩০শে জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমানা ও সমুদ্র বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হৌ ইয়ানছি এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আমরান যৌথভাবে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে আসিয়ান দেশগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সব পক্ষ একমত হয়েছে যে, দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সংলাপ জোরদার করা, সংযম প্রদর্শন করা, সঠিকভাবে মতপার্থক্য মোকাবিলা করা, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করা এবং সমুদ্রে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে সমর্থন করে। এ ছাড়া সব পক্ষ ঘোষণাপত্রটি সম্পূর্ণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং আইন প্রয়োগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে ‘দক্ষিণ চীন সাগরে আচরণবিধি’ সম্পর্কিত পরামর্শে অর্জিত ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি সব পক্ষ নিশ্চিত করেছে। তারা পরবর্তী পর্যায়ের পরামর্শের জন্য একটি রোডম্যাপ পর্যালোচনা ও গ্রহণ করেছে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই আচরণবিধি সম্পর্কিত একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য পরামর্শ প্রক্রিয়া বেগবান করতে সম্মত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীন এবং আসিয়ান দেশগুলো ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের ওপর ৫১তম যৌথ কর্মগোষ্ঠীর সভাও করছে।
সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন