ঢাকা   বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

সাময়িকভাবে বন্ধ ইন্টারনেট ব্যাংকিং

নির্বাচন ঘিরে বিকাশ–নগদ–রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা



নির্বাচন ঘিরে বিকাশ–নগদ–রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশনা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে একবারে এক হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেনের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।


বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকতে পারে। ভোটে অর্থের অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এই সীমাবদ্ধতার প্রস্তাব দেয়, যা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নির্দেশনা চূড়ান্ত হলে এ সপ্তাহেই সার্কুলার জারি করা হবে।


এদিকে নির্বাচন ঘিরে নগদ লেনদেনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি থেকে কোনো হিসাবে এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সিটিআর দাখিল করতে হচ্ছে। তবে প্রার্থীদের ঘোষিত বৈধ নির্বাচনী ব্যয় ও আইনসম্মত অনুদানে কোনো বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


নির্বাচন ঘিরে বিকাশ–নগদ–রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশনা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে একবারে এক হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেনের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।


বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকতে পারে। ভোটে অর্থের অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এই সীমাবদ্ধতার প্রস্তাব দেয়, যা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নির্দেশনা চূড়ান্ত হলে এ সপ্তাহেই সার্কুলার জারি করা হবে।


এদিকে নির্বাচন ঘিরে নগদ লেনদেনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি থেকে কোনো হিসাবে এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সিটিআর দাখিল করতে হচ্ছে। তবে প্রার্থীদের ঘোষিত বৈধ নির্বাচনী ব্যয় ও আইনসম্মত অনুদানে কোনো বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত