ঢাকা   বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই আজাদি ও ইনসাফ: সাদিক কায়েম



গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই আজাদি ও ইনসাফ: সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, “একটি ভোট হবে গণভোটের পক্ষে—সেই ভোটে আমরা ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করব। এই ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, এই ‘হ্যাঁ’ মানে ইনসাফ।”

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুরে আয়োজিত এক গণভোটের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


আবু সাদিক কায়েম বলেন, “‘হ্যাঁ’ মানে শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত করা। ‘হ্যাঁ’ মানে জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের প্রথম ভোটটি দেব ‘হ্যাঁ’-তে এবং দ্বিতীয় ভোটটি দিতে হবে ইনসাফের পক্ষে। আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে, তা নির্ধারণ করবে আমাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন।”

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উত্তরবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অভাবে। “এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ইনসাফের প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে হবে। ইনসাফের প্রতীক ও তারুণ্যের প্রতীককে বিজয়ী করেই আমাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে,”—বলেন তিনি।


ডাকসু ভিপি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষ ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিগত পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী নির্বাচনেও ইনসাফ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই আজাদি ও ইনসাফ: সাদিক কায়েম

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, “একটি ভোট হবে গণভোটের পক্ষে—সেই ভোটে আমরা ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করব। এই ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, এই ‘হ্যাঁ’ মানে ইনসাফ।”


সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুরে আয়োজিত এক গণভোটের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


আবু সাদিক কায়েম বলেন, “‘হ্যাঁ’ মানে শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত করা। ‘হ্যাঁ’ মানে জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের প্রথম ভোটটি দেব ‘হ্যাঁ’-তে এবং দ্বিতীয় ভোটটি দিতে হবে ইনসাফের পক্ষে। আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে, তা নির্ধারণ করবে আমাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন।”


তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উত্তরবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অভাবে। “এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ইনসাফের প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে হবে। ইনসাফের প্রতীক ও তারুণ্যের প্রতীককে বিজয়ী করেই আমাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে,”—বলেন তিনি।


ডাকসু ভিপি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষ ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিগত পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী নির্বাচনেও ইনসাফ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”


পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত