৩ ফেব্রুয়ারি(সোমবার) চায়না ইলেকট্রিসিটি কাউন্সিলের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে চীনে নতুন স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন কিলোওয়াটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে বায়ুশক্তি ও সৌরশক্তির নতুন স্থাপিত ক্ষমতাই ৪৪০ মিলিয়ন কিলোওয়াট, যা মোট নতুন স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৮০.২ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে মোট নতুন বিদ্যুৎ ব্যবহারের ৯৭.১ শতাংশই আসছে বায়ু, সৌর ও জৈববস্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে। ফলে এগুলোই এখন বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। চীনে সবুজ বিদ্যুৎ সরবরাহ সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বন রূপান্তরের গতি বেগবান হচ্ছে।
চায়না ইলেকট্রিসিটি কাউন্সিল পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা প্রথমবারের মতো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকে ছাড়িয়ে যাবে। একই সঙ্গে বছরের শেষ নাগাদ বায়ুশক্তি ও সৌরবিদ্যুতের সম্মিলিত স্থাপিত ক্ষমতা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেক হয়ে যাবে।
সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩ ফেব্রুয়ারি(সোমবার) চায়না ইলেকট্রিসিটি কাউন্সিলের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে চীনে নতুন স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন কিলোওয়াটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে বায়ুশক্তি ও সৌরশক্তির নতুন স্থাপিত ক্ষমতাই ৪৪০ মিলিয়ন কিলোওয়াট, যা মোট নতুন স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৮০.২ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে মোট নতুন বিদ্যুৎ ব্যবহারের ৯৭.১ শতাংশই আসছে বায়ু, সৌর ও জৈববস্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে। ফলে এগুলোই এখন বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। চীনে সবুজ বিদ্যুৎ সরবরাহ সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বন রূপান্তরের গতি বেগবান হচ্ছে।
চায়না ইলেকট্রিসিটি কাউন্সিল পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা প্রথমবারের মতো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকে ছাড়িয়ে যাবে। একই সঙ্গে বছরের শেষ নাগাদ বায়ুশক্তি ও সৌরবিদ্যুতের সম্মিলিত স্থাপিত ক্ষমতা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেক হয়ে যাবে।
সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন