২৬টি অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্য সামনে রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার তুলে ধরেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৯০ পৃষ্ঠার এই ইশতেহারে মোট ৪১টি খাতে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতায় গেলে আগামী পাঁচ বছরে দেশ পরিচালনার রূপরেখাও এতে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান জামায়াত আমির।
ইশতেহারে সংস্কার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ২৬ বিষয়:
১. ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’-এই স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।
২. বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
৩. যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অগ্রাধিকার।
৪. নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র।
৫. মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ।
৬. সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র।
৭. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন।
৮. প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান।
৯. ব্যাংকিং খাত সংস্কার ও টেকসই অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা।
১০. আনুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিসহ সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর গণতন্ত্র নিশ্চিত করা।
১১. গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ।
১২. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।
১৩. কৃষিতে প্রযুক্তি প্রয়োগ ও কৃষকদের সহায়তায় কৃষি বিপ্লব।
১৪. ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা।
১৫. ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের বিকাশে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান।
১৬. শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ।
১৭. প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ সব অধিকার নিশ্চিত করা।
১৮. সংখ্যাগরিষ্ঠ-সংখ্যালঘু ভেদাভেদহীন অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠন।
১৯. আধুনিক ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
২০. শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার ও পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে শিক্ষা।
২১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা।
২২. যাতায়াতব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পরিবহন বিপ্লব।
২৩. নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসন ব্যবস্থা।
২৪. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ ও সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।
২৫. সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা।
২৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন।
ইশতেহার ঘোষণাকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ইশতেহার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৬টি অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্য সামনে রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার তুলে ধরেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৯০ পৃষ্ঠার এই ইশতেহারে মোট ৪১টি খাতে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতায় গেলে আগামী পাঁচ বছরে দেশ পরিচালনার রূপরেখাও এতে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান জামায়াত আমির।
ইশতেহারে সংস্কার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ২৬ বিষয়:
১. ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’-এই স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।
২. বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
৩. যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অগ্রাধিকার।
৪. নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র।
৫. মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ।
৬. সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র।
৭. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন।
৮. প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান।
৯. ব্যাংকিং খাত সংস্কার ও টেকসই অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা।
১০. আনুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিসহ সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর গণতন্ত্র নিশ্চিত করা।
১১. গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ।
১২. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।
১৩. কৃষিতে প্রযুক্তি প্রয়োগ ও কৃষকদের সহায়তায় কৃষি বিপ্লব।
১৪. ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা।
১৫. ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের বিকাশে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান।
১৬. শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ।
১৭. প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ সব অধিকার নিশ্চিত করা।
১৮. সংখ্যাগরিষ্ঠ-সংখ্যালঘু ভেদাভেদহীন অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠন।
১৯. আধুনিক ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
২০. শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার ও পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে শিক্ষা।
২১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা।
২২. যাতায়াতব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পরিবহন বিপ্লব।
২৩. নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসন ব্যবস্থা।
২৪. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ ও সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।
২৫. সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা।
২৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন।
ইশতেহার ঘোষণাকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ইশতেহার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা।

আপনার মতামত লিখুন