কটিয়াদী উপজেলা চান্দপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের কৃষকের গোয়ালঘরে থাকা দুইটি গরু ও ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । ৪ই ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার) ২০২৬ তারিখ রাতে নিমুকপুড়া পূর্ব পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি পরিবারটির।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই কৃষক মোঃ ফলুমিয়া , বলেন আমার মেয়ে জামাই মোঃ ইউনুস আলী প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আমার বাড়িতে থেকে দুইটি গাভীগরু কেনে আমার মেয়ে নিয়ে সংসার করেন তার সর্বসম্বল ছিল দুইটি গরু। মোঃ ইউনুস আলী স্ত্রী মোছাঃ রুকসানা আক্তার প্রতিদিনের সন্ধ্যায় গোয়ালঘরে বেঁধে রাতে ঘুমান। পরে স্থানীয় লোকজন দেখতে পান গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে।
গরুগুলো গোয়ালঘরে বাঁধা থাকায় বের হতে পারেনি। আশপাশে পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে গোয়ালঘরসহ দুইটি কক্ষ, গরু, ধান-চাল, আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের স্ত্রী রুকসানা আক্তার বলেন, আমাদের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি। আজ কী খাবো, কী পড়বো কিছুই নাই। বাড়ি-ঘর, গরু, ধান-চাল, আসবাবপত্রসহ প্রায় আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এলাকায় রাস্তা না থাকার কারণে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ ।
তবে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে । স্থানীয় মানুষজন ১টি ইউনিট পানি দিয়ে প্রায় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। বলে জানান ১নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম।

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কটিয়াদী উপজেলা চান্দপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের কৃষকের গোয়ালঘরে থাকা দুইটি গরু ও ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । ৪ই ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার) ২০২৬ তারিখ রাতে নিমুকপুড়া পূর্ব পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি পরিবারটির।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই কৃষক মোঃ ফলুমিয়া , বলেন আমার মেয়ে জামাই মোঃ ইউনুস আলী প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আমার বাড়িতে থেকে দুইটি গাভীগরু কেনে আমার মেয়ে নিয়ে সংসার করেন তার সর্বসম্বল ছিল দুইটি গরু। মোঃ ইউনুস আলী স্ত্রী মোছাঃ রুকসানা আক্তার প্রতিদিনের সন্ধ্যায় গোয়ালঘরে বেঁধে রাতে ঘুমান। পরে স্থানীয় লোকজন দেখতে পান গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে।
গরুগুলো গোয়ালঘরে বাঁধা থাকায় বের হতে পারেনি। আশপাশে পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে গোয়ালঘরসহ দুইটি কক্ষ, গরু, ধান-চাল, আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের স্ত্রী রুকসানা আক্তার বলেন, আমাদের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি। আজ কী খাবো, কী পড়বো কিছুই নাই। বাড়ি-ঘর, গরু, ধান-চাল, আসবাবপত্রসহ প্রায় আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এলাকায় রাস্তা না থাকার কারণে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ ।
তবে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে । স্থানীয় মানুষজন ১টি ইউনিট পানি দিয়ে প্রায় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। বলে জানান ১নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন