নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাক্প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো ফারুক ওরফে ড্রাইভার ফারুক (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার চর আমিনুল হক থেকে চর জব্বার থানা-পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ড্রাইভার ফারুক উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চর আমিনুল হক গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল রাতে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন ওই যুবতীর বাবা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাক্প্রতিবন্ধী মেয়ের পেট দেখে সন্দেহ হলে তারা জিজ্ঞাসা করলে মেয়ে তাদেরকে ধর্ষণের কথা বলে। মাস ছয়েক আগে বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে বিরিয়ানি দেয়ার কথা বলে রান্না ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
এতে ওই প্রতিবন্ধী যুবতী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তার শারারিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। শুক্রবার রাতে ওই প্রতিবন্ধী যুবতীর পবিবার চরজব্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলার করেন। মামলা করার পরেই মো ফারুক ওরফে ফারুক ড্রাইভারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ওই যুবতীর বাবা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রায় তাদের বাড়িতে আসতেন, সম্প্রতিও এসেছেন।
এলাকাবাসী জানান, তিনি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন, ৫ই আগস্ট এর পরে লক্ষীপুরের পোড়া গাছার কটিহাটি গ্রাম থেকে এসে এখানে বাড়ি করেছেন। এলাকার মানুষের সাথে তেমন কোনো সখ্যতা নেই।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফর রহমান জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গতকাল রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে ।

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাক্প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো ফারুক ওরফে ড্রাইভার ফারুক (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার চর আমিনুল হক থেকে চর জব্বার থানা-পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ড্রাইভার ফারুক উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চর আমিনুল হক গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল রাতে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন ওই যুবতীর বাবা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাক্প্রতিবন্ধী মেয়ের পেট দেখে সন্দেহ হলে তারা জিজ্ঞাসা করলে মেয়ে তাদেরকে ধর্ষণের কথা বলে। মাস ছয়েক আগে বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে বিরিয়ানি দেয়ার কথা বলে রান্না ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
এতে ওই প্রতিবন্ধী যুবতী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তার শারারিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। শুক্রবার রাতে ওই প্রতিবন্ধী যুবতীর পবিবার চরজব্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলার করেন। মামলা করার পরেই মো ফারুক ওরফে ফারুক ড্রাইভারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ওই যুবতীর বাবা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রায় তাদের বাড়িতে আসতেন, সম্প্রতিও এসেছেন।
এলাকাবাসী জানান, তিনি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন, ৫ই আগস্ট এর পরে লক্ষীপুরের পোড়া গাছার কটিহাটি গ্রাম থেকে এসে এখানে বাড়ি করেছেন। এলাকার মানুষের সাথে তেমন কোনো সখ্যতা নেই।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফর রহমান জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গতকাল রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে ।

আপনার মতামত লিখুন