সারাদেশের ন্যায় আজ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং কিছু বিচ্ছিন্ন গোলযোগের মধ্য দিয়ে শেরপুর জেলার দুটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। তবে প্রার্থী মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত থাকলেও শেরপুর-১ ও শেরপুর-২ আসনে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শেরপুর-১ (সদর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এখানকার ১৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ২৪টি কেন্দ্রকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' এবং ৪০টি কেন্দ্রকে 'গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই আসনের চরমোচারিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে বড় ধরনের জালিয়াতির চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে বিপুল সংখ্যক ব্যালটে অবৈধভাবে সিল মারার সময় দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, জব্দকৃত ব্যালটগুলো বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এখানকার ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫টি কেন্দ্রকে 'অধিক গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে বিবেচনা করছে জেলা প্রশাসন। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে দীর্ঘ আইনি জটিলতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আদালতের আদেশে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এই আসনের নালিতাবাড়ীতে এক ভুয়া ভোটারকে ভোটদানের চেষ্টাকালে আটক করেছে দায়িত্বরত পুলিশ।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরো জেলায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী তদারকির জন্য মাঠে রয়েছেন ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সার্বিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত শান্ত ও উৎসবমুখর রয়েছে। তবে যেকোনো ধরনের কারচুপি রোধে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে প্রথমবারের মতো ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হচ্ছে।
শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত থাকায় জেলার ওই অংশে শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করলেও বাকি দুই আসনে বড় জয় পেতে প্রার্থীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশের ন্যায় আজ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং কিছু বিচ্ছিন্ন গোলযোগের মধ্য দিয়ে শেরপুর জেলার দুটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। তবে প্রার্থী মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত থাকলেও শেরপুর-১ ও শেরপুর-২ আসনে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শেরপুর-১ (সদর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এখানকার ১৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ২৪টি কেন্দ্রকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' এবং ৪০টি কেন্দ্রকে 'গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই আসনের চরমোচারিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে বড় ধরনের জালিয়াতির চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে বিপুল সংখ্যক ব্যালটে অবৈধভাবে সিল মারার সময় দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, জব্দকৃত ব্যালটগুলো বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এখানকার ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫টি কেন্দ্রকে 'অধিক গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে বিবেচনা করছে জেলা প্রশাসন। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে দীর্ঘ আইনি জটিলতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আদালতের আদেশে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এই আসনের নালিতাবাড়ীতে এক ভুয়া ভোটারকে ভোটদানের চেষ্টাকালে আটক করেছে দায়িত্বরত পুলিশ।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরো জেলায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী তদারকির জন্য মাঠে রয়েছেন ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সার্বিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত শান্ত ও উৎসবমুখর রয়েছে। তবে যেকোনো ধরনের কারচুপি রোধে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে প্রথমবারের মতো ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হচ্ছে।
শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত থাকায় জেলার ওই অংশে শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করলেও বাকি দুই আসনে বড় জয় পেতে প্রার্থীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা

আপনার মতামত লিখুন