ঢাকা   শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হল ভোট - এখন ফলাফলের অপেক্ষা



উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হল ভোট - এখন ফলাফলের অপেক্ষা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬–এর ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই ভোট অনুষ্ঠিত হলো। একই সঙ্গে সংবিধানের প্রস্তাবিত মৌলিক সংস্কার বিষয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–‘না’ ভোট দেন নাগরিকেরা। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে শুরু হবে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া।


ভোট দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গুলশানে ভোট দিয়ে তিনি দিনটিকে “নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন” আখ্যা দেন এবং সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে গেল।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী তারেক রহমান জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে তাঁর দল ফল মেনে নেবে। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান গ্রহণযোগ্য ভোটের প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, এমন সরকার গঠন হোক যা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবে।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যিনি ১১ দলীয় জোটের হয়ে নির্বাচন করছেন, বলেন তাঁরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

ভোট শেষ, এখন সবার চোখ গণনা ও ফলাফলের দিকে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হল ভোট - এখন ফলাফলের অপেক্ষা

প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬–এর ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই ভোট অনুষ্ঠিত হলো। একই সঙ্গে সংবিধানের প্রস্তাবিত মৌলিক সংস্কার বিষয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–‘না’ ভোট দেন নাগরিকেরা। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে শুরু হবে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া।


ভোট দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গুলশানে ভোট দিয়ে তিনি দিনটিকে “নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন” আখ্যা দেন এবং সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।


প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে গেল।


বিএনপি চেয়ারপারসন ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী তারেক রহমান জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে তাঁর দল ফল মেনে নেবে। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান গ্রহণযোগ্য ভোটের প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, এমন সরকার গঠন হোক যা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবে।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যিনি ১১ দলীয় জোটের হয়ে নির্বাচন করছেন, বলেন তাঁরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।


ভোট শেষ, এখন সবার চোখ গণনা ও ফলাফলের দিকে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত