ঢাকা   শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা চাওস্যুই ও পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির মধ্যে গভীর আলোচনা



উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা চাওস্যুই ও পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির মধ্যে গভীর আলোচনা

চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা চাওস্যুই, ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নয়াদিল্লিতে, ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি-র সাথে নতুন দফা চীন-ভারত কৌশলগত সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।  


সংলাপে দু’পক্ষ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, নিজেদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতি, অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়, এবং চীন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ, আন্তরিক ও গভীরভাবে আলোচনা করে। 

দু’পক্ষ মনে করে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গভীর ও জটিল পরিবর্তন মোকাবিলা করতে, দু’পক্ষের সর্তকতার সাথে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য কার্যকর করে, কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘ কোণ থেকে চীন-ভারত সম্পর্ক খতিয়ে দেখা ও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। 


তাছাড়া, পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা বাড়ানো, সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা, যথোচিত মতভেদ ব্যবস্থা নিয়ে, চীন-ভারত সম্পর্ক সুস্থ ও স্থিতিশীল পথে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা উচিত। 


সংলাপে দু’পক্ষ এই মর্মে রাজি হয়েছে যে, বহুপক্ষবাদ ও জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় অবস্থানকে সমর্থন দিতে হবে; বৈশ্বিক দক্ষিণের ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদার করতে হবে; আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা রক্ষা করতে হবে; বিশ্বের বহুমেরুকরণ ত্বরান্বিত করতে হবে; এশিয়া এমনকি বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য অবদান রাখতে হবে। 


সূত্র:প্রেমা-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা চাওস্যুই ও পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির মধ্যে গভীর আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা চাওস্যুই, ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নয়াদিল্লিতে, ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি-র সাথে নতুন দফা চীন-ভারত কৌশলগত সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।  


সংলাপে দু’পক্ষ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, নিজেদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতি, অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়, এবং চীন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ, আন্তরিক ও গভীরভাবে আলোচনা করে। 

দু’পক্ষ মনে করে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গভীর ও জটিল পরিবর্তন মোকাবিলা করতে, দু’পক্ষের সর্তকতার সাথে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য কার্যকর করে, কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘ কোণ থেকে চীন-ভারত সম্পর্ক খতিয়ে দেখা ও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। 


তাছাড়া, পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা বাড়ানো, সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা, যথোচিত মতভেদ ব্যবস্থা নিয়ে, চীন-ভারত সম্পর্ক সুস্থ ও স্থিতিশীল পথে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা উচিত। 


সংলাপে দু’পক্ষ এই মর্মে রাজি হয়েছে যে, বহুপক্ষবাদ ও জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় অবস্থানকে সমর্থন দিতে হবে; বৈশ্বিক দক্ষিণের ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদার করতে হবে; আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা রক্ষা করতে হবে; বিশ্বের বহুমেরুকরণ ত্বরান্বিত করতে হবে; এশিয়া এমনকি বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য অবদান রাখতে হবে। 


সূত্র:প্রেমা-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত