ঢাকা   শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

বিমানবাহী রণতরী ঘিরে সমুদ্র উদ্ধার প্রশিক্ষণ জোরদার চীনে



বিমানবাহী রণতরী ঘিরে সমুদ্র উদ্ধার প্রশিক্ষণ জোরদার চীনে

চীনে বিমানবাহী রণতরী বহরের প্রশিক্ষণ আরও জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্রে জরুরি পরিস্থিতিতে পাইলটদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্ধার হেলিকপ্টারগুলোকে কঠোর মহড়ায় অংশ নিতে দেখা গেছে। চীনে সম্প্রতি ক্যারিয়ারভিত্তিক যুদ্ধবিমানের নিয়মিত উড্ডয়ন ও অবতরণ মহড়া বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। 


সাম্প্রতিক এক মহড়ায় জরুরি নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি জেড-৯এস জাহাজভিত্তিক হেলিকপ্টার দ্রুত উড্ডয়ন করে নির্ধারিত উদ্ধার এলাকায় পৌঁছে যায়।

স্থলভাগের তুলনায় সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা অনেক বেশি কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। মহড়ায় সাগরের পানিতে ভাসমান একটি ডামিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হয়। হেলিকপ্টারটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় স্থিরভাবে ভেসে থাকে, আর কেবল ব্যবহার করে এক উদ্ধারসাঁতারুকে নিচে নামানো হয়। সমন্বিতভাবে কাজ করে লক্ষ্যবস্তুটি নিরাপদে বেঁধে কেবিনে তোলা হয়।


হেলিকপ্টারগুলোকে রাতের মহড়াও চালাতে হয়। অন্ধকার সমুদ্রে পাইলটরা গুরুতর দৃষ্টিভ্রমের মুখোমুখি হন, ফলে স্থিরভাবে ভেসে থাকা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

দক্ষিণ থিয়েটার কমান্ডের অধীন পিএলএ নৌবাহিনীর এক বিমান ইউনিটের সদস্য কৌ চেচুন বলেন, ‘রাতের উদ্ধার অভিযানে পানির ভেতরে কেবলের অবস্থা স্পষ্ট দেখা অত্যন্ত কঠিন। দ্রুত উদ্ধারপ্রার্থীকে স্লিং দিয়ে বেঁধে ফেলতে হয়, আবার নিজের শরীর যেন কেবলে জড়িয়ে না যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়।বিমানবাহী রণতরীতে উদ্ধার হেলিকপ্টারগুলোকে ডেক এলিভেটরের সবচেয়ে কাছাকাছি রাখা হয়। উড্ডয়ন কার্যক্রমে তারাই প্রথম উড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত অবতরণ করে।


তথ্য ও ছবি: ফয়সল-নাহার,সিসিটিভি।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বিমানবাহী রণতরী ঘিরে সমুদ্র উদ্ধার প্রশিক্ষণ জোরদার চীনে

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

চীনে বিমানবাহী রণতরী বহরের প্রশিক্ষণ আরও জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্রে জরুরি পরিস্থিতিতে পাইলটদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্ধার হেলিকপ্টারগুলোকে কঠোর মহড়ায় অংশ নিতে দেখা গেছে। চীনে সম্প্রতি ক্যারিয়ারভিত্তিক যুদ্ধবিমানের নিয়মিত উড্ডয়ন ও অবতরণ মহড়া বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। 


সাম্প্রতিক এক মহড়ায় জরুরি নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি জেড-৯এস জাহাজভিত্তিক হেলিকপ্টার দ্রুত উড্ডয়ন করে নির্ধারিত উদ্ধার এলাকায় পৌঁছে যায়।

স্থলভাগের তুলনায় সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা অনেক বেশি কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। মহড়ায় সাগরের পানিতে ভাসমান একটি ডামিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হয়। হেলিকপ্টারটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় স্থিরভাবে ভেসে থাকে, আর কেবল ব্যবহার করে এক উদ্ধারসাঁতারুকে নিচে নামানো হয়। সমন্বিতভাবে কাজ করে লক্ষ্যবস্তুটি নিরাপদে বেঁধে কেবিনে তোলা হয়।


হেলিকপ্টারগুলোকে রাতের মহড়াও চালাতে হয়। অন্ধকার সমুদ্রে পাইলটরা গুরুতর দৃষ্টিভ্রমের মুখোমুখি হন, ফলে স্থিরভাবে ভেসে থাকা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

দক্ষিণ থিয়েটার কমান্ডের অধীন পিএলএ নৌবাহিনীর এক বিমান ইউনিটের সদস্য কৌ চেচুন বলেন, ‘রাতের উদ্ধার অভিযানে পানির ভেতরে কেবলের অবস্থা স্পষ্ট দেখা অত্যন্ত কঠিন। দ্রুত উদ্ধারপ্রার্থীকে স্লিং দিয়ে বেঁধে ফেলতে হয়, আবার নিজের শরীর যেন কেবলে জড়িয়ে না যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়।বিমানবাহী রণতরীতে উদ্ধার হেলিকপ্টারগুলোকে ডেক এলিভেটরের সবচেয়ে কাছাকাছি রাখা হয়। উড্ডয়ন কার্যক্রমে তারাই প্রথম উড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত অবতরণ করে।


তথ্য ও ছবি: ফয়সল-নাহার,সিসিটিভি।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত