ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ষষ্ঠবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন সাবেক পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বেসরকারি ফলাফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে হারিয়েছেন।
এ আসনে পোস্টাল ভোট ও ১৫৯ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজার ভোট। মুরাদনগর আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭জন।
এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি ১৯৮৬, (১৯৮৮ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী), ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালে মুরাদনগর আসনে বাজিমাত করছেন।
ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মুরাদনগরের বিভিন্ন এলাকায় কায়কোবাদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। মিছিল, স্লোগান ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে তারা বিজয় উদ্যাপন করেন। দীর্ঘদিন পর এই আসনে বিএনপির বড় ব্যবধানে জয়কে স্থানীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অপরদিকে, পরাজিত প্রার্থীর পক্ষ থেকে ফলাফল নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৩ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই কায়কোবাদের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ষষ্ঠবারের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি আবারও স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান প্রমাণ করলেন।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ষষ্ঠবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন সাবেক পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বেসরকারি ফলাফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে হারিয়েছেন।
এ আসনে পোস্টাল ভোট ও ১৫৯ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজার ভোট। মুরাদনগর আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭জন।
এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি ১৯৮৬, (১৯৮৮ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী), ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালে মুরাদনগর আসনে বাজিমাত করছেন।
ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মুরাদনগরের বিভিন্ন এলাকায় কায়কোবাদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। মিছিল, স্লোগান ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে তারা বিজয় উদ্যাপন করেন। দীর্ঘদিন পর এই আসনে বিএনপির বড় ব্যবধানে জয়কে স্থানীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অপরদিকে, পরাজিত প্রার্থীর পক্ষ থেকে ফলাফল নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৩ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই কায়কোবাদের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ষষ্ঠবারের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি আবারও স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান প্রমাণ করলেন।

আপনার মতামত লিখুন