বড় কোন দুর্ঘটনা ছাড়াই শেষ হল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।সারা দেশের ন্যায় এ নির্বাচনে ২৬০ চাঁদপুর -১ (কচুয়া) আসনে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হন।আর তাঁকে
বেসরকারিভাবে বিজয়ীও ঘোষনা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও বিধিমালা অনুযায়ী ভোট না পাওয়ায় চার প্রার্থীর জামানত বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি নির্বাচনি এলাকায় যত ভোট কাস্টিং করা হয় তার এক অষ্টমাংস (অর্থাৎ ১২.৫ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ কারনে এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ৪ জন। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটের গন্ডী ও পেরুতে পারেননি!
একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি এই আসনে অংশ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬শ ২৬। আর গণফোরাম এই আসনে পেয়েছেন ৩শ ২৬ ভোট ও নতুন আলোচিত দল গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) এই আসনে পেয়েছেন ২শত ২৬ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৪হাজার ২শ ৪৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে মতে, সংসদ নির্বাচনের নিয়মানুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭শ ৪২ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন করেছেন ২ লাখ ৯হাজার ৭৫ জন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়ার শতকরা হার ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে পোষ্টাল ভোট ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ হাজার ৭শত ৩ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৮৭ ভোট।
কচুয়াতে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হলো তারা হলেন, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মোঃ নাছির উদ্দিন, গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, জাতীয় পার্টি হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদ মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩ শত ২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭শত ৮১ ভোট।
ছবি: সংগৃহীত প্রতিকি ছবি

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বড় কোন দুর্ঘটনা ছাড়াই শেষ হল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।সারা দেশের ন্যায় এ নির্বাচনে ২৬০ চাঁদপুর -১ (কচুয়া) আসনে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হন।আর তাঁকে
বেসরকারিভাবে বিজয়ীও ঘোষনা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও বিধিমালা অনুযায়ী ভোট না পাওয়ায় চার প্রার্থীর জামানত বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি নির্বাচনি এলাকায় যত ভোট কাস্টিং করা হয় তার এক অষ্টমাংস (অর্থাৎ ১২.৫ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ কারনে এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ৪ জন। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটের গন্ডী ও পেরুতে পারেননি!
একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি এই আসনে অংশ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬শ ২৬। আর গণফোরাম এই আসনে পেয়েছেন ৩শ ২৬ ভোট ও নতুন আলোচিত দল গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) এই আসনে পেয়েছেন ২শত ২৬ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৪হাজার ২শ ৪৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে মতে, সংসদ নির্বাচনের নিয়মানুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭শ ৪২ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন করেছেন ২ লাখ ৯হাজার ৭৫ জন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়ার শতকরা হার ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে পোষ্টাল ভোট ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ হাজার ৭শত ৩ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৮৭ ভোট।
কচুয়াতে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হলো তারা হলেন, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মোঃ নাছির উদ্দিন, গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, জাতীয় পার্টি হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদ মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩ শত ২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭শত ৮১ ভোট।
ছবি: সংগৃহীত প্রতিকি ছবি

আপনার মতামত লিখুন