দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এর জেলা পরিষদগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। অনেকের অভিমত, এসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও অংশগ্রহণ আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদগুলোকে সময়োপযোগী ও অধিকতর কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এখন সময়ের দাবি।
দীর্ঘ সময় ধরে চেয়ারম্যান ও সদস্য মনোনয়নের যে প্রক্রিয়া অনুসৃত হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থার আলোকে অনেকেই মনে করেন, প্রতিনিধিত্বমূলক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। কারণ জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বভাবতই জনগণের কাছে অধিক দায়বদ্ধ থাকেন এবং তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর সমান মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনিক কাঠামোই এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি, ন্যায় ও উন্নয়নের ভিত্তি হতে পারে।
জেলা পরিষদগুলোকে আরও জনমুখী, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে সময়োপযোগী সংস্কার ও নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। সমন্বিত ও অংশগ্রহণভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এসব প্রতিষ্ঠান জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এর জেলা পরিষদগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। অনেকের অভিমত, এসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও অংশগ্রহণ আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদগুলোকে সময়োপযোগী ও অধিকতর কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এখন সময়ের দাবি।
দীর্ঘ সময় ধরে চেয়ারম্যান ও সদস্য মনোনয়নের যে প্রক্রিয়া অনুসৃত হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থার আলোকে অনেকেই মনে করেন, প্রতিনিধিত্বমূলক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। কারণ জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বভাবতই জনগণের কাছে অধিক দায়বদ্ধ থাকেন এবং তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর সমান মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনিক কাঠামোই এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি, ন্যায় ও উন্নয়নের ভিত্তি হতে পারে।
জেলা পরিষদগুলোকে আরও জনমুখী, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে সময়োপযোগী সংস্কার ও নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। সমন্বিত ও অংশগ্রহণভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এসব প্রতিষ্ঠান জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন