ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

রূপসায় অবৈধ কয়লার চুল্লি গুড়িয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন



রূপসায় অবৈধ কয়লার চুল্লি গুড়িয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন

রূপসা উপজেলার আঠারোবেকী নদীর পাড়ে যেখানে সেখানে যততত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ ভাবে বনজ ও ফলজ গাছের কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির চুল্লি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষ কে ম্যানেজ করে এই চুল্লি থেকে কয়লা তৈরি করে আসছে একটি দুষ্ট চক্র। কাঁচা কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির সময় এই চুল্লি দিয়ে প্রচুর পরিমান ধোয়া বের হয়। এই ধোয়ার কারনে আশেপাশে মারাত্মক ভাবে পরিবেশ দুষন হয়। যার ফলে শিশু, বাচ্চা, ও বয়স্ক মানুষদের শ্বাস কষ্ট হয়। তাদের প্রতিনিয়ত ভর্তি হতে হয়  হাসপাতালে।  


এর ধোয়ার কারনে গাছ পালা, পানের বরাজ সহ অন্যান্য পশুপাখি ধ্বংসের ধারপ্রান্তে।  এদের বিরুদ্ধে কেহ প্রতিবাদ করলে তাদের কে হুমকি দেওয়া হয়।  চুল্লি কে কেন্দ্র করে নেশা দ্রব ক্রয় বিক্রয় ও নানা রকম অবৈধ কার্যকলাপ হয় এখানে।  অবৈধ চুল্লির ব্যাপারে নৈহাটি ইউনিয়নের দেবীপুর ও  সামন্তসেনা গ্রামের ভুক্তভুগী সাধারন জনগন এর থেকে বাঁচার জন্য  উপজেলা প্রশাসন কে জানালে ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার  সকাল থেকে দুপুর পযন্ত প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ১৩ টি চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিধান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। 


অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন, রূপসা থানা প্রশাসন, রূপসা ফায়ার সার্ভিস, নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ ইলিয়াজ হোসেন, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন মিন্টু, ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার, আব্দুর রাজ্জাক শেখ, মাসুম সরদার, শেখ মাসুম, সাবেক ইউপি সদস্য সাজ্জাত হোসেন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের বনি আমিন সোহাগ, সমাজ সেবক আলম শেখ, সমির দাস, আফসার, সরদার রবিউল ইসলাম, বিল্লাল শেখ, শংকর প্রমূখ। 

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


রূপসায় অবৈধ কয়লার চুল্লি গুড়িয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রূপসা উপজেলার আঠারোবেকী নদীর পাড়ে যেখানে সেখানে যততত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ ভাবে বনজ ও ফলজ গাছের কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির চুল্লি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষ কে ম্যানেজ করে এই চুল্লি থেকে কয়লা তৈরি করে আসছে একটি দুষ্ট চক্র। কাঁচা কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির সময় এই চুল্লি দিয়ে প্রচুর পরিমান ধোয়া বের হয়। এই ধোয়ার কারনে আশেপাশে মারাত্মক ভাবে পরিবেশ দুষন হয়। যার ফলে শিশু, বাচ্চা, ও বয়স্ক মানুষদের শ্বাস কষ্ট হয়। তাদের প্রতিনিয়ত ভর্তি হতে হয়  হাসপাতালে।  


এর ধোয়ার কারনে গাছ পালা, পানের বরাজ সহ অন্যান্য পশুপাখি ধ্বংসের ধারপ্রান্তে।  এদের বিরুদ্ধে কেহ প্রতিবাদ করলে তাদের কে হুমকি দেওয়া হয়।  চুল্লি কে কেন্দ্র করে নেশা দ্রব ক্রয় বিক্রয় ও নানা রকম অবৈধ কার্যকলাপ হয় এখানে।  অবৈধ চুল্লির ব্যাপারে নৈহাটি ইউনিয়নের দেবীপুর ও  সামন্তসেনা গ্রামের ভুক্তভুগী সাধারন জনগন এর থেকে বাঁচার জন্য  উপজেলা প্রশাসন কে জানালে ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার  সকাল থেকে দুপুর পযন্ত প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ১৩ টি চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিধান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। 


অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন, রূপসা থানা প্রশাসন, রূপসা ফায়ার সার্ভিস, নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ ইলিয়াজ হোসেন, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন মিন্টু, ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার, আব্দুর রাজ্জাক শেখ, মাসুম সরদার, শেখ মাসুম, সাবেক ইউপি সদস্য সাজ্জাত হোসেন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের বনি আমিন সোহাগ, সমাজ সেবক আলম শেখ, সমির দাস, আফসার, সরদার রবিউল ইসলাম, বিল্লাল শেখ, শংকর প্রমূখ। 



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত