মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে ইউনেস্কোর সঙ্গে কাজ করবে চীন

মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে ইউনেস্কোর সঙ্গে কাজ করবে চীন

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ১২ মে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ড. খালেদ এল-এনানি সাক্ষাৎ করেন।

সি চিন পিং উল্লেখ করেন, ইউনেস্কো সব দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা প্রসারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। বৈশ্বিক শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সাংস্কৃতিক শাসনে সংস্থাটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। চীন সক্রিয়ভাবে ইউনেস্কোর কাজকে সমর্থন করে। বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে ও বৈশ্বিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে উভয় পক্ষ একসাথে অনেক কাজ করেছে। সকল দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য চীন ইউনেস্কোর সাথে কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করতে ইচ্ছুক।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, শান্তি, উন্নয়ন, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের ধারা অপরিবর্তিত থাকলেও, স্নায়ুযুদ্ধের মানসিকতা, আধিপত্যবাদ এবং একতরফাবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে; যার ফলে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চীন সর্বদা দৃঢ়ভাবে প্রকৃত বহুপাক্ষিকতাকে সমর্থন করে, জাতিসংঘের কর্তৃত্বকে রক্ষা করে এবং বৈশ্বিক শাসনে ইউনেস্কোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে সমর্থন করে। চীন চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইউনেস্কোর সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, যা সকল দেশের মানুষকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের সুফল ভাগ করে নিতে, মানবজাতির সাধারণ প্রতিবন্ধকতাগুলো আরও ভালোভাবে মোকাবিলা করতে এবং যৌথভাবে 'মানবজাতির অভিন্ন ভাগ্যের কমিউনিটি' গঠনে সহায়তা করবে।

উভয় পক্ষের উচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উন্মুক্ত বিজ্ঞান এবং ডিজিটাল শিক্ষায় সহযোগিতা আরও গভীর করা। একইসাথে বিশ্ব সভ্যতার বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা, বিভিন্ন সভ্যতার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থানকে উৎসাহিত করা, 'গ্লোবাল সাউথ'-এর দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা জোরদার করা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

ইউনেস্কোর মহাপরিচালক হিসেবে প্রথমবারের মতো চীন সফর করতে পেরে এল-এনানি সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি ইউনেস্কোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একত্রিত করে সংলাপ ও সহযোগিতার পক্ষে কাজ করতে, পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে, সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি করতে এবং মানবসেবায় নিয়োজিত একটি ইউনেস্কো গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র:লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে ইউনেস্কোর সঙ্গে কাজ করবে চীন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ১২ মে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ড. খালেদ এল-এনানি সাক্ষাৎ করেন।

সি চিন পিং উল্লেখ করেন, ইউনেস্কো সব দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা প্রসারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। বৈশ্বিক শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সাংস্কৃতিক শাসনে সংস্থাটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। চীন সক্রিয়ভাবে ইউনেস্কোর কাজকে সমর্থন করে। বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে ও বৈশ্বিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে উভয় পক্ষ একসাথে অনেক কাজ করেছে। সকল দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য চীন ইউনেস্কোর সাথে কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করতে ইচ্ছুক।


তিনি জোর দিয়ে বলেন, শান্তি, উন্নয়ন, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের ধারা অপরিবর্তিত থাকলেও, স্নায়ুযুদ্ধের মানসিকতা, আধিপত্যবাদ এবং একতরফাবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে; যার ফলে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চীন সর্বদা দৃঢ়ভাবে প্রকৃত বহুপাক্ষিকতাকে সমর্থন করে, জাতিসংঘের কর্তৃত্বকে রক্ষা করে এবং বৈশ্বিক শাসনে ইউনেস্কোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে সমর্থন করে। চীন চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইউনেস্কোর সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, যা সকল দেশের মানুষকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের সুফল ভাগ করে নিতে, মানবজাতির সাধারণ প্রতিবন্ধকতাগুলো আরও ভালোভাবে মোকাবিলা করতে এবং যৌথভাবে 'মানবজাতির অভিন্ন ভাগ্যের কমিউনিটি' গঠনে সহায়তা করবে।


উভয় পক্ষের উচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উন্মুক্ত বিজ্ঞান এবং ডিজিটাল শিক্ষায় সহযোগিতা আরও গভীর করা। একইসাথে বিশ্ব সভ্যতার বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা, বিভিন্ন সভ্যতার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থানকে উৎসাহিত করা, 'গ্লোবাল সাউথ'-এর দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা জোরদার করা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ইউনেস্কোর মহাপরিচালক হিসেবে প্রথমবারের মতো চীন সফর করতে পেরে এল-এনানি সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি ইউনেস্কোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একত্রিত করে সংলাপ ও সহযোগিতার পক্ষে কাজ করতে, পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে, সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি করতে এবং মানবসেবায় নিয়োজিত একটি ইউনেস্কো গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই উপস্থিত ছিলেন।


সূত্র:লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই