বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদীতে ট্রলার থেকে পড়ে হোসেন আলী (৪০) নামের এক ট্রলার মাছি নিখোঁজ। উদ্ধার কাজে নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের একটি অভিযানীক ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ৫'টায় মোংলা পশুর নদীর নালা নদীর বাজারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ মাঝি হোসেন আলী (৪০) দাকোপ উপজেলার চালনা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার বিষয়ে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি অভিযানীক ডুবুরি দল। তাদের সঙ্গে স্থানীয় অভিজ্ঞ ডুবুরিরাও তল্লাশি কার্যক্রমে অংশ নেয়।
স্থানীয়দের সূত্র মতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার নদীপথে ট্রলার চলাচলের সময় হঠাৎ করে তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিখোঁজ মাঝির সন্ধানে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ মাঝির সন্ধান পাওয়া যাইনি।
এ বিষয়ে মোংলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, “নদীর তীব্র স্রোত ও পানির গভীরতার কারণে উদ্ধারকাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরও নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদীতে ট্রলার থেকে পড়ে হোসেন আলী (৪০) নামের এক ট্রলার মাছি নিখোঁজ। উদ্ধার কাজে নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের একটি অভিযানীক ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ৫'টায় মোংলা পশুর নদীর নালা নদীর বাজারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ মাঝি হোসেন আলী (৪০) দাকোপ উপজেলার চালনা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার বিষয়ে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি অভিযানীক ডুবুরি দল। তাদের সঙ্গে স্থানীয় অভিজ্ঞ ডুবুরিরাও তল্লাশি কার্যক্রমে অংশ নেয়।
স্থানীয়দের সূত্র মতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার নদীপথে ট্রলার চলাচলের সময় হঠাৎ করে তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিখোঁজ মাঝির সন্ধানে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ মাঝির সন্ধান পাওয়া যাইনি।
এ বিষয়ে মোংলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, “নদীর তীব্র স্রোত ও পানির গভীরতার কারণে উদ্ধারকাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরও নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন