নরসিংদীতে দোকানের ভেতরে আটকে রেখে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক (২২) নামে এক যুবককে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে নরসিংদী পুলিশ লাইনের সংলগ্ন এলাকায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
নিহত চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নরসিংদী শহরের রুবেলের বাইকের দোকানে মিস্ত্রির কাজ করতেন। তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মোদাফরগঞ্জ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তিনি খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। তার বাবা জীবিত নেই এবং বড় ভাই প্রতিবন্ধী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন চঞ্চল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে থাকা চঞ্চলকে আটকে রেখে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একাধিকবার চেষ্টা করে দোকানে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চঞ্চলের মৃত্যুর দৃশ্য দেখেছে দুর্বৃত্তরা।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দোকানের ভেতরে থাকা চঞ্চল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান।
শুক্রবার আছরের পর নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তবে ঘটনার পেছনের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ লাইনের পাশেই এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—পুলিশের এত কাছাকাছি এলাকায় যদি এভাবে একজন যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, তাহলে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?
নিহতের পরিবার দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
নরসিংদীতে দোকানের ভেতরে আটকে রেখে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক (২২) নামে এক যুবককে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে নরসিংদী পুলিশ লাইনের সংলগ্ন এলাকায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
নিহত চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নরসিংদী শহরের রুবেলের বাইকের দোকানে মিস্ত্রির কাজ করতেন। তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মোদাফরগঞ্জ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তিনি খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। তার বাবা জীবিত নেই এবং বড় ভাই প্রতিবন্ধী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন চঞ্চল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে থাকা চঞ্চলকে আটকে রেখে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একাধিকবার চেষ্টা করে দোকানে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চঞ্চলের মৃত্যুর দৃশ্য দেখেছে দুর্বৃত্তরা।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দোকানের ভেতরে থাকা চঞ্চল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান।
শুক্রবার আছরের পর নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তবে ঘটনার পেছনের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ লাইনের পাশেই এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—পুলিশের এত কাছাকাছি এলাকায় যদি এভাবে একজন যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, তাহলে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?
নিহতের পরিবার দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন